মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ১০:৪৫ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রেসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি) চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। যেখানে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর আরোপিত পাল্টা শুল্কহার ১ শতাংশ কমানো হয়েছে।
সোমবার (৯ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
এই চুক্তির আগে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর আরোপিত শুল্কহার ছিল২০ শতাংশ, এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৯ শতাংশে। পোশাক খাতের এই চুক্তিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন রপ্তানিকারকেরা।
পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশি পণ্যের ওপর নির্ধারিত ১৫ শতাংশ শুল্ক ছিল, পরিবর্তন ও পালটা শুল্কের প্রভাবে মোট শুল্কের পরিমাণ ৩৪ শতাংশে গিয়ে দাঁড়াবে কিনা এই বিষয়ে এখনও সুস্পষ্ট কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।
গণমাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে, এই চুক্তির আরেকটি বড় সুবিধা হচ্ছে— অ্যামেরিকা থেকে আমদানি করা তুলা ও ফাইবার দিয়ে তৈরি পোশাক অ্যামেরিকাতেই রপ্তানি করলে সে ক্ষেত্রে আর কোনো পাল্টা শুল্ক আরোপ করা হবে না। অর্থাৎ, যুক্তরাষ্ট্রের কাঁচামালে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।
যদিও চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি, তবে আগামীকাল বেলা আড়াইটায় চুক্তির সার্বিক দিক তুলে ধরা হবে বলে জানানো হয়েছে।
বর্তমানে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি করে প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের পণ্য এবং আমদানি করে প্রায় ২০০ কোটি ডলারের পণ্য।
এই নতুন চুক্তি বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে কতটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
আরটিভি/এসআর