বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ , ১২:৩৯ পিএম
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, সেই পরিস্থিতিতে দেশের জন্য স্বস্তির খবর আসছে। সিঙ্গাপুর থেকে আমদানি করা দ্বিতীয় ডিজেলবাহী জাহাজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) চট্টগ্রাম বন্দরে এসে ভিড়েছে। ‘লিয়ান হুয়ান হু’ নামের জাহাজে প্রায় ২৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল রয়েছে। বন্দরে নোঙর করার সঙ্গে সঙ্গে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে ডিজেল খালাস শুরু হয়েছে।
এর আগে সোমবার (৯ মার্চ) ‘শিউ চি’ নামের আরেকটি জাহাজ প্রায় ২৭ হাজার ২০৪ মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে বন্দরে পৌঁছেছিল। পরপর এই দুটি চালান দেশের জ্বালানি মজুত পরিস্থিতিতে কিছুটা স্বস্তি এনেছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনে আরও তিনটি ডিজেলবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ‘এসপিটি থেমিস’ ১২ মার্চ, ‘র্যাফেলস সামুরাই’ ১৩ মার্চ এবং ‘চাং হাং হং তু’ ১৫ মার্চ বন্দরে পৌঁছাবে। প্রতিটি জাহাজে প্রায় ৩০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল থাকবে।
মোট পাঁচটি জাহাজ থেকে দেশে যোগ হবে প্রায় ১ লাখ ৪৪ হাজার ২০৫ মেট্রিক টন ডিজেল, যা বর্তমান ব্যবহারের ধারা অনুযায়ী ১২ দিন পর্যন্ত চাহিদা পূরণে সক্ষম। সরকার প্রতিদিনের সরবরাহ সীমিত রাখায়, নতুন আসা জ্বালানি দিয়ে প্রায় ১৬ দিনের চাহিদা পূরণ সম্ভব হবে। বর্তমানে বিদ্যমান মজুতসহ নতুন চালানগুলো যুক্ত হলে দেশের ডিজেল চাহিদার প্রায় এক মাসের মজুদ নিশ্চিত হবে।
বিপিসির বাণিজ্যিক ও অপারেশন বিভাগের কর্মকর্তা মাসুদ পারভেজ বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বাকি জাহাজগুলো পৌঁছালে জ্বালানি পরিস্থিতি দ্রুত স্থিতিশীল হয়ে আসবে। বন্দর কর্তৃপক্ষ ও বিপিসি সমন্বিতভাবে কাজ করে চলায় বাজারে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা অনেকটাই কমে আসছে।
আরটিভি/এসকে