images

অর্থনীতি

ঈদুল আজহা উপলক্ষে ‘সাইড বিজনেস’ কেমন চলছে?

মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬ , ১১:৩৪ পিএম

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঢাকায় জমে উঠেছে পশু খাদ্যসহ কোরবানির আনুসাঙ্গিক পণ্যের অস্থায়ী ও ভ্রাম্যমাণ দোকানে বেচা-কেনা। এসব দোকানে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা ঘাস, শুকনো খড়, ভুসি, খৈল, কুঁড়া, ভুট্টা ভাঙা ও কাঁঠালপাতাসহ নানা ধরনের পশুখাদ্য।

বছরে ঈদুল আজহার এই সময়টাতেই নগরবাসীকে এভাবে খড়-ভূসি কিনতে দেখা যায়। রাজধানীর পাড়া-মহল্লা ও বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে পশু খাদ্যের অস্থায়ী দোকানে চলে এই কেনাকাটা।

কোথাও ভ্যানে করে খড় আনা হচ্ছে, আবার রাস্তার পাশেই সাজানো হয়েছে কাঁচা ঘাস, শুকনো খড়, ভূসি ও কাঠাল পাতার স্তূপ। থরে থরে সাজানো আছে মাংস কাটার কাঠের টুকরো, চাটাইও।

ভ্রাম্যমাণ ও অস্থায়ী এসব দোকানে প্রতি কেজি ভূসির দাম রাখা হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা। এছাড়া প্রতি আটি খড় বিক্রি হচ্ছে ১০-২৫ টাকায়। আর কাঁঠাল পাতার আটি বিত্রি হচ্ছে ৮০-১০০ টাকা। এছাড়া মাংস কাটার জন্য কাঠের প্রতি টুকরোর দাম রাখা হচ্ছে ৩০০-৮০০ টাকা। আর আকার ভেদে প্রতিটি চাটাই বিক্রি হচ্ছে ২০০-৩০০ টাকায়।

ক্রেতাদের অভিযোগ, ঈদের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ভ্রাম্যমাণ ও অস্থায়ী দোকানগুলোতে পশুর খাদ্যের দাম ততই বাড়ছে। ফলে বাধ্য হয়েই পশুর জন্য বাড়তি দামে প্রয়োজনীয় খাদ্য কিনতে হচ্ছে।

বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারী বাজারে দাম বেশি হওয়ায় খুচরা বাজারেও বেশি দাম রাখতে হচ্ছে।

এদিকে, রাজধানীজুড়ে গো-খাদ্যের বে চাবিক্রির সঙ্গে ব্যস্ততা বেড়েছে কামারপাড়ায়। দিন-রাত জ্বলছে কামারশালার আগুন। চলছে ছুরি, চাপাতি, বটি ও চাকু তৈরি এবং শাণ দেওয়ার ব্যস্ততা।

আরটিভি/টিআর