images

অর্থনীতি / আন্তর্জাতিক

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল সোনার দাম

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬ , ১০:৫২ পিএম

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে তেলের দাম কিছুটা কমায় উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি ও উচ্চ সুদের হারের আশঙ্কা কমেছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টা ৩৬ মিনিট পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট সোনার দাম ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫২৮ দশমিক ৬৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। আগস্ট ডেলিভারির জন্য মার্কিন সোনার ফিউচার ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৫৫৮ দশমিক ৬০ ডলারে পৌঁছেছে।

এদিন বেলা ১১টা ৫৬ মিমিট পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের (সোনা) দাম শূন্য ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫১৭ দশমিক ৭৩ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়। পাশাপাশি ফিউচার মার্কেটেও আগামী আগস্ট ডেলিভারির জন্য সোনার দাম শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৪৭ দশমিক ৮০ ডলারে দাঁড়ায়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলার পর তেলের দাম কমেছে। জ্বালানির কম দাম মুদ্রাস্ফীতির উদ্বেগ কমায় ও সুদের হার বাড়ার আশঙ্কা হ্রাস করে।
এদিন বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ৪৯ মিনিট পর্যন্ত বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের ফিউচার প্রাইস ৫৩ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৫৬ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৯৪ দশমিক ৪৫ মার্কিন ডলারে নেমে এসেছে।

পাশাপাশি মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দামও ৫৬ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৬১ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৯১ দশমিক ৬০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

শান্তি চুক্তির আশায় মে মাসে ১৬ শতাংশের বেশি মাসিক লোকসানের পর আগের সেশনে সোমবার (১ জুন) উভয় সূচকই ৫ শতাংশের বেশি বেড়েছিল।

আরও পড়ুন
7

একদিনের ব্যবধানে বিশ্ববাজারে ফের কমল তেলের দাম

স্যাক্সো ব্যাংকের বিশ্লেষক ওলে হ্যানসেন বলেছেন, তেলের দাম বাড়লে সাধারণত মুদ্রাস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। তখন সুদের হার, বন্ডের মুনাফা (ইল্ড) এবং ডলারের মূল্যও প্রভাবিত হয়। এসব কারণে সোনার দামও প্রায়ই তেলের বাজারের গতিপথ অনুসরণ করে।

বর্তমানে সোনার দামে স্বল্পমেয়াদে কিছুটা দুর্বলতা বা নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বিশ্লেষকের মতে, সোনার দাম ৪ হাজার ৬৩০ ডলারের ওপরে উঠতে পারলে বাজারে নতুন করে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হতে পারে এবং আরও ক্রেতা আকৃষ্ট হতে পারে।

মার্কিন সরকারের ১০ বছরের ট্রেজারি বন্ডের ইল্ড ১ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে। সোনা কোনো সুদ দেয় না, তাই যখন বন্ডের ইল্ড কমে যায়, তখন বন্ডে বিনিয়োগের আকর্ষণও কমে। ফলে সোনা ধরে রাখার ‘সুযোগ ব্যয়’ কমে যায় এবং বিনিয়োগকারীরা সোনার দিকে বেশি ঝুঁকতে পারেন।

সূত্র: রয়টার্স

আরটিভি/ এসকেডি