images

অর্থনীতি

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে পোশাক কারখানা বন্ধের খবর ভিত্তিহীন: বিজিএমইএ-বিকেএমইএ

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ , ০২:৫৬ পিএম

গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে দেশের পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে সম্প্রতি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া খবরকে ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছে পোশাক খাতের দুই শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ।

সংগঠন দুটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, পোশাক কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যায়নি; বরং সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে শ্রমনীতি মেনে সাময়িকভাবে ছুটি সমন্বয় করা হয়েছে মাত্র।

সোমবার (৩ আগস্ট) আলাদা বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিকেএমইএ) জানায়, সংকট সত্ত্বেও সদস্যভুক্ত অধিকাংশ কারখানা স্বাভাবিক উৎপাদন চালু রেখেছে। সরকারের সহায়তায় তারা গড়ে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ উৎপাদনক্ষমতা বজায় রাখছে।

আরও পড়ুন
13

জুলাইয়ে ৩৮৯ কোটি মার্কিন ডলারের পোশাক রপ্তানি

বিজিএমইএ সূত্র জানায়, ৫ আগস্টের সরকারি ছুটির সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটির যোগসূত্র রেখে কয়েকটি কারখানা বাড়তি ছুটি অনুমোদন করেছে। পরবর্তীতে শ্রম আইন অনুযায়ী ওভারটাইম বা অতিরিক্ত কাজের মাধ্যমে এই ছুটি সমন্বয় করা হবে। এটি পোশাক শিল্পের জন্য একটি স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া।

প্রায় একই ব্যাখ্যা দিয়ে বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের কিছু কারখানায় শ্রমিকদের চাহিদামতো ৩ থেকে ৪ দিনের ছুটি দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে অতিরিক্ত কাজের মাধ্যমে এই কাজের ঘাটতি পূরণ করা হবে। ছুটির সময়ে গ্যাসের সীমিত সঞ্চালনকে কাজে লাগিয়ে ডাইং ও নিটিং কারখানাগুলো ফ্যাব্রিক প্রস্তুতের চেষ্টা করবে, যা শিল্পের উৎপাদন বজায় রাখতে সাহায্য করবে।

বিজিএমইএ সতর্ক করে বলেছে, সঠিক তথ্য যাচাই ছাড়াই স্পর্শকাতর খবর পরিবেশন আন্তর্জাতিক বাজার ও বিদেশি ক্রেতাদের কাছে নেতিবাচক বার্তা পাঠায়। এটি দেশের প্রধান রপ্তানি খাত ও এর সঙ্গে জড়িত লাখ লাখ শ্রমিকের রুজি-রোজগারকে সংকটে ফেলতে পারে। সংগঠনটি বস্তুনিষ্ঠ ও যাচাই করা সংবাদ প্রকাশের জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

আরটিভি/এআর