বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ , ১১:১৪ এএম
গুচ্ছভুক্ত (জিএসটি) ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের এ ইউনিটের (বিজ্ঞান) ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষায় পাসের হার ৩০ শতাংশ।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে ভর্তি পরীক্ষার কোর কমিটির সচিব ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক মনজুরুল হক এ তথ্য জানিয়েছেন।
প্রকাশিত ফলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ ইউনিটে মোট ১ লাখ ৬৬ হাজার ১৬২ শিক্ষার্থী আবেদন করেন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ৭৫ দশমিক ৩৫ শতাংশ (১ লাখ ২৫ হাজার ৯৩৮ জন) শিক্ষার্থী।
পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পাস নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৩০ শতাংশ (৩৮ হাজার ৮৮ জন) শিক্ষার্থী। অপর দিকে ৩০ নম্বরের নিচে পেয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ৬৯ দশমিক ৫০ শতাংশ (৮৭ হাজার ৭৪০ জন) শিক্ষার্থী। এ ছাড়া বিভিন্ন কারণে (বহিষ্কার, রোল, সেট ও শনাক্তকরণ ত্রুটি) ১১০ জনের ফল বাতিল করা হয়েছে।
ফলে দেখা যায়, সর্বোচ্চ ৮৭ নম্বর পেয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন তৌকির সিদ্দিকী ইশতি। এ ছাড়া এ বছর সর্বনিম্ন প্রাপ্ত নম্বর মাইনাস ১৪ দশমিক ২৫।
ফল দেখবেন যেভাবে—
প্রথমে গুচ্ছের ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এরপর সাইন ইন পেজে গিয়ে নিজের পিন নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে। লগইন হলে ড্যাশবোর্ডে থাকা ‘ফলাফল’ অপশনটি নির্বাচন করলেই ফলাফল দেখা যাবে। এছাড়াও ফলাফল শিটটি ডাউনলোড বা প্রিন্ট করা যাবে।
এ ছাড়া মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমেও শিক্ষার্থীরা তাদের ফলাফল জানতে পারবেন।
গুচ্ছভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিপ্রবি, নোয়াখালী বিপ্রবি, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিপ্রবি, পাবনা বিপ্রবি, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিপ্রবি, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙামাটি বিপ্রবি, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয়, নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর বিপ্রবি, চাঁদপুর বিপ্রবি, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ বিপ্রবি, পিরোজপুর বিপ্রবি ও নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়।
গত ১০ এপ্রিল বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ঘণ্টা সময়ে সারাদেশের মোট ২১টি কেন্দ্রে এ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবার ভর্তি পরীক্ষায় ন্যূনতম পাস নম্বর ৩০। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে। এ ইউনিটে ১ লাখ ৬৬ হাজার ১৬২ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৮৮৫ জন ভর্তিচ্ছু, যা মোট আবেদনকারীর ৭৫.৭৬ শতাংশ।
আরটিভি/এমএ