images

শিক্ষা

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নতুন প্রকল্প নিতে আগ্রহী ইউনেস্কো

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬ , ১০:০৩ এএম

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় একটি নতুন প্রকল্প গ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইউনেস্কো।

ইউনেস্কো বাংলাদেশ-এর পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মঙ্গলবার (৫ মে) এই আগ্রহের কথা জানান।

বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি ড. সুজান ভাইজ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন—ইউনেস্কো ঢাকা অফিসের শিক্ষা প্রধান নরিহিড ফুরুকাওয়া, ইউনেস্কো এমজিআইইপি-এর ড. রিচা বানশাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ তানভীর রহমান এবং ইউনেস্কোর প্রোগ্রাম অফিসার রাজু দাস।

সাক্ষাৎকালে, প্রতিনিধি দলটি ২০২৪ সালের আগস্টের গণআন্দোলন-পরবর্তী সময়ে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইউজিসি ও ইউনেস্কোর গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে চেয়ারম্যানকে অবহিত করেন। পূর্ববর্তী প্রকল্পের সফলতার ধারাবাহিকতায় তারা নতুন এই উদ্যোগ নিতে চান।

আরও পড়ুন
Web-Image4

বাংলাদেশ হবে পৃথিবীর সেরা এডুকেশন হাব: শিক্ষামন্ত্রী

ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, নানা কারণে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপের মধ্যে থাকে। এই চাপের কারণগুলো চিহ্নিত করে প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা না গেলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সুষ্ঠু ও সহায়ক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা কঠিন হবে।

তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া প্রায় ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থী মফস্বল থেকে আসে এবং তাদের বড় অংশই আর্থ-সামাজিক দিক থেকে পিছিয়ে থাকা পরিবারের। নতুন পরিবেশ ও পাঠদান পদ্ধতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে গিয়ে অনেকে অস্থিরতা ও হতাশায় ভোগে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও ‘সফট স্কিল’ উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি।

তিনি সম্ভাব্য নতুন প্রকল্পে শিক্ষার্থীদের সফট স্কিল উন্নয়নের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান।

বৈঠকে ইউজিসি ও ইউনেস্কো প্রস্তাবিত প্রকল্পের কার্যক্রম নির্ধারণের জন্য একটি যৌথ ওয়ার্কিং কমিটি গঠনের বিষয়ে একমত পোষণ করে। 

উল্লেখ্য, এর আগে ইউজিসি ও ইউনেস্কোর যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত প্রকল্পের আওতায় দেশের ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থীকে সরাসরি এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আরও ২০ হাজার শিক্ষার্থীকে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়েছে।

আরটিভি/এমএ