images

ক্যাম্পাস

নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ , ০১:৩০ এএম

নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় আবারও প্রাণ ফিরে পেয়েছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়। নতুন মুখের হাসি, স্বপ্ন ও প্রত্যাশায় মুখর হয়ে উঠেছে সবুজে ঘেরা ক্যাম্পাস।

বুধবার (১৫ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ভবনের অডিটোরিয়ামে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫টি বিভাগ নিজস্ব আয়োজনে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল, কলম ও বিভিন্ন শিক্ষাসামগ্রী দিয়ে আন্তরিকভাবে বরণ করে নেয়।

এবার ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম ব্যাচ। নতুন এ ব্যাচের আগমনে ক্যাম্পাসজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। নতুন বন্ধু, নতুন বিভাগ, নতুন স্বপ্ন ও সম্ভাবনাকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের চোখেমুখে ছিল উচ্ছ্বাসের ছাপ। দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের প্রথম দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ব্যস্ত ছিলেন অনেকেই। কেউ ছবি তুলেছেন, কেউ নতুন সহপাঠীদের সঙ্গে পরিচিত হয়েছেন, আবার কেউ ঘুরে দেখেছেন সবুজে মোড়া ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থান।

নবীন শিক্ষার্থী সুমাইয়া বলেন, ক্যাম্পাসে এসে চারপাশের সবুজ পরিবেশ আমাকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছে। খুবই শান্ত, সুন্দর ও স্নিগ্ধ একটি পরিবেশ। ওরিয়েন্টেশনে শিক্ষকদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনেছি। সব মিলিয়ে খুব ভালো লেগেছে।

সংগীত বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী প্রজ্ঞা ভট্টাচার্য বলেন, আজ আমাদের ওরিয়েন্টেশন ছিল। পুরো আয়োজন আমার খুব ভালো লেগেছে। শিক্ষকরা বিশ্ববিদ্যালয়জীবন নিয়ে যে পরামর্শ দিয়েছেন, তা মনোযোগ দিয়ে শুনেছি। ক্যাম্পাসটি খুবই সুন্দর, সবুজ ও গোছানো। এখানে ভর্তি হতে পেরে নিজেকে সত্যিই গর্বিত মনে হচ্ছে। সিনিয়র ভাই-বোনদের আন্তরিকতাও আমাকে মুগ্ধ করেছে।

নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী মো. হযরত আলী রূপক বলেন, ভর্তি হওয়ার আগে এই বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে খুব বেশি জানতাম না। শুধু নামটাই শুনেছিলাম। আমি রংপুর থেকে এসেছি। এখানে এসে ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য ও পরিবেশ দেখে সত্যিই অভিভূত হয়েছি। এত সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে।

মার্কেটিং বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী কর্ণক দাস বলেন, আজকের ওরিয়েন্টেশনের পরিবেশ ছিল দারুণ। শিক্ষক ও সিনিয়ররা খুব আন্তরিকভাবে আমাদের স্বাগত জানিয়েছেন। সবচেয়ে ভালো লেগেছে, এখানে র‍্যাগিংয়ের কোনো সংস্কৃতি নেই। বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের পাশাপাশি ক্যাম্পাসের নানা আয়োজন উপভোগ করার অপেক্ষায় আছি। বিশেষ করে বিশ্বকাপ ফুটবলে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের ম্যাচটি বড় পর্দায় দেখার জন্য মুখিয়ে আছি।

আরটিভি/টিআর