images

ক্যাম্পাস

হাসিনাকে ফেরাতে শিক্ষকদের তৎপরতা, ইবির তিন সংগঠনের নিন্দা

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬ , ০৬:১৪ পিএম

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় শিক্ষকের কথিত রাষ্ট্রবিরোধী ও ফ্যাসিবাদী তৎপরতায় জড়িত থাকার অভিযোগের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) তিন শিক্ষক সংগঠন।

এ নিয়ে ‘ইবি জিয়া পরিষদ’, ‘ইউট্যাব’ ও ‘গ্রিন ফোরাম’ এ তিন শিক্ষক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পৃথক বিবৃতিতে নিন্দা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’ (ইউট্যাব)-এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সেলিম এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. রশিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত যৌথ বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের ২২টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষক রাষ্ট্র ও জনস্বার্থবিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত থাকার খবর প্রকাশিত হয়েছে। নিষিদ্ধ একটি দলের আদর্শে উদ্বুদ্ধ শিক্ষকদের এ ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক অপতৎপরতার তীব্র নিন্দা জানাই। একই সঙ্গে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে দ্রুত যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গঠিত তদন্ত কমিটির দ্রুততম সময়ে প্রতিবেদন দাখিলের দাবি জানানো হয়।

একই দিন পৃথক এক বিবৃতিতে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতপন্থী শিক্ষক সংগঠন গ্রিন ফোরাম। সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম স্বাক্ষরিত যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, পলাতক শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং একটি নিষিদ্ধ দলকে সক্রিয় করার কথিত অপতৎপরতায় ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক জড়িত থাকার বিষয়টি উদ্বেগজনক। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নকারী এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার মতো এ ধরনের রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

আরও পড়ুন
7

জুলাই শহীদদের স্মরণে ইবিতে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ

এদিকে বুধবার ইবি জিয়া পরিষদের পক্ষ থেকেও একই ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ড. ফারুকুজ্জামান খান এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই গণআন্দোলনের পর প্রতিষ্ঠিত জাতীয় মূল্যবোধের অংশীদার হিসেবে এ ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য, গণমাধ্যমে প্রকাশিত তালিকায় থাকা ৪০৪ জন শিক্ষকের মধ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪ জন শিক্ষকের নাম রয়েছে। বিষয়টি নজরে আসার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

আরটিভি/টিআর