শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫ , ০৩:২৩ পিএম
৮০ ও ৯০-এর দশকের অ্যাকশন তারকাদের একসঙ্গে পর্দায় দেখলে ভক্তদের রোমাঞ্চের শেষ থাকে না। ঠিক সেই স্বপ্ন বাস্তব করেছিল ২০১০ সালে মুক্তি পাওয়া ‘দ্য এক্সপেন্ডেবলস’। সিলভেস্টার স্ট্যালন, ডলফ লান্ডগ্রেন, জেট লি, টেরি ক্রুসসহ অসংখ্য অ্যাকশন আইকনের সমাবেশে এটি ছিল ভক্তদের জন্য এক বিশেষ আয়োজন। প্রথম ছবির তুমুল সাফল্যই তৈরি করেছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিটির শক্ত ভিত। খবর কলিডারের।
কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কমতে থাকে জাদু। প্রতিটি নতুন সিনেমায় কমেছে দর্শকের আগ্রহ, টিকিট বিক্রির গ্রাফও নেমেছে নিচে।
উত্থান থেকে পতন: সংখ্যাই বলছে প্রকৃত গল্প
প্রথম কিস্তি (২০১০): বিশ্বব্যাপী আয় ২৭৪.৫ মিলিয়ন ডলার, যা ফ্র্যাঞ্চাইজির শক্ত ভিত গড়ে দেয়।
দ্বিতীয় কিস্তি (২০১২): আরও বড় সাফল্য, আয় ৩১৫ মিলিয়ন ডলার-সিরিজের সর্বোচ্চ।
তৃতীয় কিস্তি (২০১৪): আগ্রহে ভাটা, আয় কমে দাঁড়ায় ২১৪.৭ মিলিয়ন-প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার কম।
এই ধারাবাহিক পতনের চূড়ান্ত ধাক্কা আসে ‘এক্সপেন্ডেবলস ৪’ দিয়ে। স্ট্যালনসহ নতুন পুরোনো তারকার উপস্থিতি থাকলেও চলচ্চিত্রটি বিশ্বব্যাপী আয় করতে পারে মাত্র ৫১ মিলিয়ন ডলার। যা শুধু হতাশাজনকই নয়, বরং ফ্র্যাঞ্চাইজিটির ভবিষ্যৎ কার্যত বন্ধ করে দেয়।
কেন বন্ধ হচ্ছে তারকাবহুল সেই ফ্র্যাঞ্চাইজির ভবিষ্যৎ?
- বারবার পুনরাবৃত্ত গল্প ও পুরোনো স্টাইলের অ্যাকশন-নতুন প্রজন্মকে টানতে ব্যর্থ।
- তারকাবহুল কাস্টিং থাকলেও চিত্রনাট্যে তাজা ভাবের অভাব।
- আগের ছবিগুলোর তুলনায় বাজেট-আয় প্রত্যাশার ভারসাম্য হারিয়ে ফেলা।
- স্ট্রিমিং যুগে মাঝারি মানের অ্যাকশন সিনেমার চাহিদা হ্রাস।
আরটিভি/কেআই