রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ , ০৮:২০ এএম
বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ ও আলোচিত প্রতারক সুকেশ চন্দ্রশেখরকে ঘিরে ২০০ কোটি রুপির অর্থ পাচার মামলায় নতুন মোড় দেখা দিয়েছে। এবার নিজেই সরকারি সাক্ষী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন জ্যাকলিন।
গত ৭ এপ্রিল দিল্লি উচ্চ আদালত সুকেশ চন্দ্রশেখরকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দেয়। তবে একাধিক মামলা থাকায় এখনই কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না তিনি। জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে মোট ৩১টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ২৬টিতে জামিন পেলেও এখনও পাঁচটি মামলা বিচারাধীন।
এই পরিস্থিতির মধ্যেই মামলায় নতুন পদক্ষেপ নিলেন জ্যাকলিন। তিনি জানিয়েছেন, তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করতে চান এবং সরকারি সাক্ষী হতে প্রস্তুত।
শুনানির সময় পাতিয়ালা হাউস কোর্ট আদালত বলেন, সরকারি সাক্ষী হতে চাইলে জ্যাকলিনকে আগে তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন করতে হবে। এরপর সংস্থাটি তার সহযোগিতা ও বক্তব্য বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে।
আদালত ইতিমধ্যে ইডিকে নোটিশ পাঠিয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক হয়েছে ২০ এপ্রিল।
এর পাশাপাশি আদালত জ্যাকলিনকে ২৪ এপ্রিল থেকে ২৫ মে পর্যন্ত বিদেশ ভ্রমণের অনুমতিও দিয়েছে। তবে এই সময় তাকে নির্ধারিত সব শর্ত মানতে হবে এবং তদন্তে সহযোগিতা চালিয়ে যেতে হবে।
এই মামলার মূল অভিযোগ, জেলের ভেতর থেকেই বিশাল প্রতারণা ও চাঁদাবাজির জাল পরিচালনা করতেন সুকেশ। তদন্তকারীদের দাবি, অবৈধ টাকার মাধ্যমে তিনি বহু দামি উপহার দিয়েছিলেন জ্যাকলিনকে। যার মধ্যে ছিল বিলাসবহুল ঘড়ি, ব্যাগ, গয়না ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী।
তবে জ্যাকলিনের দাবি, সুকেশের আসল পরিচয় তিনি জানতেন না। নিজেকে বড় ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে তাকে বিভ্রান্ত করেছিলেন সুকেশ।
এখন প্রশ্ন উঠছে, যদি জ্যাকলিন সত্যিই সরকারি সাক্ষী হন, তবে কি আইনি জটিলতায় আরও বিপাকে পড়বেন সুকেশ? তদন্তের পরবর্তী অগ্রগতিই তার উত্তর দেবে।
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা
আরটিভি/জেএমএ