images

বিনোদন

ধর্ষিত মৃত শিশুর পরিবারের সামনে একে একে কাটা হয় ধর্ষকের অঙ্গ 

শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬ , ০৩:১২ পিএম

রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত অস্ট্রেলিয়ান স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র দ্য ডিজাপেয়ারেন্স অব উইলি বিংহাম পুনরায় আলোচনায় এসেছে।

মাত্র ১২ মিনিটের এই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন ম্যাথু রিচার্ড। এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার ও ক্রাইম ড্রামা, যেখানে বিচারব্যবস্থা, অপরাধ ও শাস্তির নৈতিক দিক তুলে ধরা হয়েছে।

চলচ্চিত্রের গল্পে দেখা যায়, উইলি বিংহাম নামের এক এক অপরাধীকে কেন্দ্র করে, যে একটি নিষ্পাপ শিশু কন্যাকে ধর্ষণ ও নির্মমভাবে খুন করার ঘটনায় অভিযুক্ত হয়। তবে সেই দেশ থেকে মৃত্যুদণ্ডের আইন তুলে নেওয়ায় আদালত তাকে সরাসরি ফাঁসি না দিয়ে প্রগ্রেসিভ অ্যাম্পুটেশন বা পর্যায়ক্রমিক অঙ্গচ্ছেদ নামের এক নতুন ও নজিরবিহীন শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার বিভিন্ন অঙ্গ পর্যায়ক্রমে অপসারণ করা হয় এবং যা শিশুটির পরিবারের উপস্থিতিতে তা কার্যকর হয়। অপারেশন থিয়েটারের কাচের ওপাশ থেকে দাঁড়িয়ে দেখেন তারা। 

আরও পড়ুন
Web-Image

রেগে আগুন সালমান খান, ‘জেলে দিতে চাইলে দিন!’

গল্পের অগ্রগতিতে দেখা যায়, প্রথমে তার একটি হাত, পরে একটি পা এবং ধাপে ধাপে শরীরের বিভিন্ন অংশ অপসারণ করা হয়। এরপর আরও শারীরিক অঙ্গ অপসারণের প্রক্রিয়া চলতে থাকে।

এই শাস্তির বিধান অনুযায়ী সম্পূর্ণ ব্যথাহীন অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ধাপে ধাপে অপরাধীর শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ অপসারণ করা হয় এবং ভুক্তভোগী পরিবার চাইলে এই প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করার সুযোগ পায়। শাস্তির কথা শুনে উইলি বিংহাম তাকে দ্রুত মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার আবেদন জানালেও আইনি কারণে তার সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করা হয়।

শেষ পর্যায়ে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে পরবর্তী অস্ত্রোপচার বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফলে শাস্তি অসম্পূর্ণ অবস্থায় শেষ হয় এবং অপরাধী চরম শারীরিক সীমাবদ্ধতার মধ্যে বেঁচে থাকে।

চলচ্চিত্রটি বিচারব্যবস্থা, প্রতিশোধ ও নৈতিকতার জটিলতা নিয়ে নির্মিত হওয়ায় বিভিন্ন সময় দর্শক ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আলোচনায় এসেছে।


আরটিভি/জেএমএ