বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬ , ১১:০২ এএম
লোকসংগীতশিল্পী, সুরকার ও সংগীত পরিচালক মুজিব পরদেশীকে চেক ডিজঅনার মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এ আদেশ দেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ১০ লাখ টাকার একটি চেক ডিজঅনারের অভিযোগে ২০২২ সালে মাগুরার আদালতে শিল্পীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ইদ্রিস আলী বিশ্বাস। মামলার শুনানি শেষে ২০২৩ সালের ১৫ মার্চ মাগুরার দ্বিতীয় যুগ্ম দায়রা জজ মুহাম্মদ আনোয়ার ছাদাত মুজিব পরদেশীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং চেকের সমপরিমাণ ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন।
রায় ঘোষণার পর দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতে সোমবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
মঙ্গলবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে পুলিশ কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানায়। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই হেলাল উদ্দিন জানান, শুনানির সময় মুজিব পরদেশীর পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। অন্যদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবী সফিকুল ইসলাম জামিনের বিরোধিতা করে আদালতকে জানান, মামলার বিষয়ে অবগত থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন আসামি। এ অবস্থায় জামিন দেওয়া হলে বাদী ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।
মুজিব পরদেশীর প্রকৃত নাম মুজিবুর রহমান মোল্লা। আশির দশকে বাংলা লোকগানের জগতে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি। তার গাওয়া ‘আমি বন্দী কারাগারে’সহ অসংখ্য গান শ্রোতাদের কাছে সমাদৃত।
উল্লেখযোগ্য ‘কলমে নাই কালি’, ‘আমি বন্দী কারাগারে’, ‘সাদা দিলে কাদা’, ‘তোমায় আমি হলেম অচেনা’, ‘আমি কেমন করে পত্র লিখি’, ‘আমার মনের আগুন জ্বলে দ্বিগুণ’ ও ‘মন তোরে পারলাম না বুঝাইতে’।
আরটিভি/এসকে