শনিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ , ০৩:৪৫ পিএম
‘সুপারম্যান’, ‘বাঘা-বাঘিনী’, ‘বনের রাজা টারজান’র মতো ব্যবসা সফল ছবির নায়ক তিনি। একাধারে নায়ক, প্রযোজক এবং পরিচালকও। চলচ্চিত্রের বিভিন্ন সমিতির নেতা হিসেবেও সফলতার সঙ্গে কাজ করেছেন। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতিতে ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। আর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিতেও পর পর তিনবার সিনিয়র সহ-সভাপতি ছিলেন। একই সমিতির জয়েন সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেছেন। চলচ্চিত্রের সব সেক্টরে বিচরণ করা মানুষটি আর কেউ নন ড্যানি সিডাক। গত ৬ ফেব্রুয়ারি তথ্য মন্ত্রণালয় একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড আগামী ১ বছরের জন্য পুনঃগঠন করা হয়েছে। কমিটিতে সদস্য হিসেবে স্থান পেয়েছেন সাহসী চলচ্চিত্র অভিনেতা ড্যানি সিডাক। নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর মুখোমুখী হন আরটিভি অনলাইনের। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক এ এইচ মুরাদ।
সেন্সর বোর্ডের নতুন কমিটির সদস্য হয়েছেন কেমন লাগছে?
আমি মনে প্রাণে চলচ্চিত্রের একজন মানুষ। এই দায়িত্ব আমার ওপর অর্পণ করায় সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। চলচ্চিত্রের মানুষ হিসেবে দায়িত্বটি আমাকে সম্মানিত করেছে। আমি চেষ্টা করব কাজটি যথাসাধ্য পালন করার।
কোন বিষয়গুলোর প্রতি গুরুত্ব দেবেন?
সেন্সর বোর্ডের একজন সদস্য হিসেবে দেশের জন্য ক্ষতিকর, সমাজের জন্য ক্ষতিকারক বা অশ্লীল কিছু যেন প্রদর্শন করা না হয় এ বিষয়গুলোর প্রতি নজর দেবো। আমি ছাড়া এই অঙ্গনের আরও কয়েকজন সদস্য হয়েছেন নতুন কমিটিতে সবাই মিলেই সুস্থধারার চলচ্চিত্রের ধারাকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করব।
অনেক সময়ই আমরা দেখেছি নকল ছবি অনায়াসে সেন্সর সনদ পাচ্ছে।
আমাদের চারপাশেই অনেক গল্প রয়েছে। তবুও কেন নকল করতে হবে? আমি আগের অন্যান্য কমিটির প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি আমরা কোনও এ ধরনের অন্যায়কে প্রশ্রয় দেবো না। বাইরের গল্প নিয়ে যদি কেউ ছবি নির্মাণ করে তাহলে কপি রাইট থাকতে হবে।
এত সমস্যার সমাধান একা করবেন কীভাবে?
আমি সব সময় চলচ্চিত্রের উন্নতির লক্ষ্যে আন্দোলন সংগ্রামের সঙ্গে ছিলাম। চলচ্চিত্রই আমার ধ্যানজ্ঞান। এখানে কোনও অন্যায় মেনে নেবো না। বিশেষ ক্ষেত্রে সবাইকে নিয়ে দরকার হলে আলাদাভাবে বসবো। মিলে মিশে সিদ্ধান্ত নেবো।
শোনা যায়, দেশীয় ছবিই বেশিরভাগ সময় বাধার সম্মুখীন হয়। অন্যদিকে আমদানি ছবি সহজেই সেন্সর পায়।
সেন্সর বোর্ড আমার একটি ছবির গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্য কর্তন করেছিল। সেই ব্যথাটা এখনও আমার আছে। সিদ্ধান্তগুলো যেন সঠিক নেয়া হয় সেই ব্যাপারে গুরুত্ব দেয়ার চেষ্টা করব। আর এক চোখে দুইভাবে দেখার কোনও সুযোগ নেই। আমরা সমানভাবে সব ছবি বিচার-বিশ্লেষণ করব।
ব্যস্ততার মধ্যে সময় দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
আপনাকে এবং আরটিভি অনলাইনকে ধন্যবাদ।
আরো পড়ুন:
এম/এমকে