বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬ , ১১:১৫ পিএম
পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, সারাবছরই দর্শকদের আলোচনায় থাকেন তার ব্যক্তিজীবন ও ঠোঁটকাটা স্বভাবের কথাবার্তায়। সিনেমার পাশাপাশি সবধরনের আলোচনা-সমালোচনা পেছনে ফেলে গেল কয়েক বছরে অভিনয়ে নিজেকে বারবার ভেঙে নতুনভাবে হাজির করেছেন তিনি। তারই ধারাবাহিকতায় এবার নারী প্রোমোটারের চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। নতুন সিনেমা ‘প্রোমোটার বৌদি’ নিয়ে কথা বলতে গিয়েই নিজের প্রেমভাবনা তুলে ধরেছেন এই অভিনেত্রী।
সিনেমায় নিজের চরিত্র প্রসঙ্গে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় বলেন, নতুনদের সঙ্গে কাজ আমি সবসময়ই করেছি। বরং বেশি কাজ করেছি। এই সিনেমায় একজন নারী প্রোমোটারের চরিত্রটাই আমাকে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করেছে। এমন নয় যে শান্তি (চরিত্রের নাম) সিঙ্গল নারী। সে বিবাহিত, তার জমজ সন্তান আছে, সংসারও আছে। সংসার সামলানোর পাশাপাশি সে নিজের কাজও প্রোমোট করে।
সিনেমায় নিজের চরিত্র প্রসঙ্গে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় বলেন, নতুনদের সঙ্গে কাজ আমি সবসময়ই করেছি। বরং বেশি কাজ করেছি। এই সিনেমায় একজন নারী প্রোমোটারের চরিত্রটাই আমাকে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করেছে। এমন নয় যে শান্তি (চরিত্রের নাম) সিঙ্গল নারী। সে বিবাহিত, তার জমজ সন্তান আছে, সংসারও আছে। সংসার সামলানোর পাশাপাশি সে নিজের কাজও প্রোমোট করে।
সাধারণভাবে প্রোমোটার মানেই অসৎ, টাকার বিনিময়ে নীতি বিসর্জন দেওয়া চরিত্র হিসেবে দেখা হয়। তবে এই সিনেমায় তার বিপরীত দিকটি তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান স্বস্তিকা।
তিনি বলেন, এই সিনেমায় অর্থ উপার্জন গুরুত্বপূর্ণ হলেও আমার চরিত্রটা মানুষকে আগলে রাখতে চায়। মানুষের স্বপ্নের বাড়ি, গাড়ির লোভ অনেক সময় চোখে পড়ে। ‘প্রোমোটার বৌদি’ সেই লোভকে আটকাতে চায়, রুখতে চায়। মানুষের সারাজীবনের সঞ্চয় বাঁচাতে চায় সে। এই লড়াইটা কঠিন, কারণ পুরুষশাসিত পেশায় একজন নারী একা লড়ে যায়।
অভিনেত্রীর মতে, গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে যদি এ ধরনের সিনেমা ব্যবসা করে, তাহলে পরিচালক ও প্রযোজকদের মধ্যে আরও ব্যতিক্রমী কাজ করার সাহস তৈরি হবে। নইলে কেবল ট্রেন্ড অনুসরণ করেই কাজ হবে। নারীদের এমন চরিত্রে খুব একটা দেখা যায় না। তবে বলা যায়, শুরুটা হয়েছে।
আরটিভি/এমআই