images

স্বাস্থ্য

জনসংখ্যা হ্রাসে বিশেষ প্রচারণামূলক কার্যক্রম হাতে নিচ্ছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ , ০২:৪৪ পিএম

জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারে লাগাম টানতে পরিবার পরিকল্পনার বিষয়ে মায়েদের সচেতন করতে বিশেষ প্রচারণামূলক কার্যক্রম হাতে নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, গত ১০ থেকে ১৫ বছর ধরে দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার প্রায় ৩ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে, যা উদ্বেগজনক। এই হারকে একটি সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে সরকার দেশব্যাপী জোরদার জন্মনিয়ন্ত্রণ অভিযান শুরু করবে। গ্রামীণ পর্যায়ে একসময় জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর যে সহজলভ্যতা ছিল, তা আবার ফিরিয়ে আনা হবে।

তিনি আজ সকালে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ব্র্যাক ও লেগো ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘সাসটেইনিং প্লে,  লার্নিং অ্যান্ড স্কিলস ইন হিউম্যানিটারিয়ান কনটেক্সটসের (স্প্ল্যাশ) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন ।

আরও পড়ুন
Web-Image

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩৫০ 

সঠিক রোগ নির্ণয় ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে চলতি বছরই  উপজেলা হাসপাতালে আধুনিক প্যাথলজিক্যাল ল্যাব স্থাপন করা হবে জানিয়ে  স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন,  ‘এ বছরের মধ্যেই প্রতিটি হাসপাতালে আধুনিক প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি স্থাপন করতে যাচ্ছি। এ জন্য  চলতি মাসে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমদানি করবো।

শুধু তাই নয়, দেশের মানুষকে ডায়ালাইসিস সেবা দেওয়ার জন্য জেলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০টি শয্যা, জেলা হাসপাতালে ১০টি ডায়ালাইসিস শয্যা এবং উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালে ১০টি ডায়ালাইসিস শয্যার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। 

দেশের স্বাস্থ্য খাতের ধারাবাহিক উন্নয়নের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে সাখাওয়াত হোসেন  বলেন, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে তৎকালীন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রতিটি উপজেলায় ৩১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। পরবর্তীকালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের ১৮ কোটি মানুষের অভিভাবক হিসেবে সেই ৩১ শয্যার হাসপাতালগুলোকে ৫০ শয্যায় রূপান্তরিত করেন। বর্তমানে এই ধারবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় আধুনিকায়ন করা হচ্ছে।

আরটিভি/এমএ