শুক্রবার, ০৭ জুলাই ২০১৭ , ১০:২৮ পিএম
অবশেষে শুরু হলো বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্প পুতিনের বৈঠক। জি-টোয়েন্টি সম্মেলনের প্রথম দিনের বৈঠক শেষ হওয়ার পরপরই বৈঠকটি শুরু হয়। বিশ্বের গণমাধ্যম থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষেরও আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে এই বৈঠক। জি-টোয়েন্টি সম্মেলন শুরু হওয়ার আগেই অবশ্য প্রথমবারের মতো হাত মেলান এ দুই নেতা।
জার্মানির হ্যামবার্গে অনুষ্ঠেয় বৈঠকের শুরুতেই সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ে আমরা আলোচনা করবো। তাই আপনাদের সহযোগিতা কাম্য।
পুতিন বলেন, ‘ট্রাম্পকে ব্যক্তিগতভাবে পেয়ে দারুণ আনন্দিত হলাম।’এক পর্যায়ে ট্রাম্প মুচকি হেসে বলেন, ‘খুব ভালো আলোচনা হবে পুতিনের সঙ্গে। আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।’
পরে সাংবাদিকরা বেরিয়ে গেলে বৈঠক কক্ষের দরজা লাগিয়ে দেয়া হয়।
এর আগে গত মঙ্গলবার দুই নেতার বৈঠকের খবর নিশ্চিত করেছে হোয়াইট হাউজ ও ক্রেমলিন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর পুতিনের সঙ্গে তিনবার ফোনালাপ হলেও এটাই তাদের প্রথম দ্বিপক্ষীয় বৈঠক। বিশ্বব্যাপী চলমান সংঘাত নিরসনে ওয়াশিংটন ও মস্কোর মধ্যে এ ধরনের বৈঠক প্রয়োজন ছিল বলে ক্রেমলিন জানিয়েছে।
রাশিয়ার ২০১৬ সালের মার্কিন সাধারণ নির্বাচনকে প্রভাবিত করা, ইউক্রেন দখলের প্রচেষ্টা ও সিরিয়ার প্রতি সহানুভূতি দেখানোর ব্যাপার নিয়ে দুই পক্ষের চলমান অস্থিতিশীলতার সমাধান করতেই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
সিরিয়ায় আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলার সম্ভাবনা ও প্রস্তুতি নিয়ে এ বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেশকভ জানিয়েছেন। এছাড়া ইউক্রেন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। তবে সময়ের অভাবে ইউক্রেনের সংঘাত নিয়ে দুই নেতার বিস্তারিত আলোচনা নাও হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্প ও পুতিনের বৈঠক হতে পারে ৩০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টার মতো।
গেলো সেপ্টেম্বরের জি-টোয়েন্টি সম্মেলনের সময় সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও পুতিনের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সি/