images

আন্তর্জাতিক / এশিয়া

ইরানি অস্ত্রভান্ডারে নতুন দুই ক্ষেপণাস্ত্র, পশ্চিমাদের মাথায় হাত!

শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫ , ০৫:৪০ পিএম

অন্ধকার ভূগর্ভে সারি সারি সাজানো বিশাল ইস্পাতের সুড়ঙ্গ। তার ভেতরে লাল ও সাদা চিহ্নযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র। হঠাৎ আলো জ্বলে উঠল এবং পর্দায় দেখা গেল দুটি নতুন নাম—‘ইমাদ’ ও ‘কাদর’। এগুলো আর কিছু নয়, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর অ্যারোস্পেস ফোর্সের উন্মোচন করা সর্বশেষ প্রজন্মের দুটি অত্যাধুনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।

গত শনিবার(১৮ অক্টোবর) তেহরান এক ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি থেকে এই উন্মোচন অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করে। ইরানি সংবাদ সংস্থা মেহের জানায়, দীর্ঘদিনের গবেষণা শেষে আইআরজিসি এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে সম্পূর্ণ নতুন রূপে তৈরি করেছে।

আরও পড়ুন
1

ইউক্রেনের আরও ১০ এলাকা দখলে নিল রাশিয়া

নতুন এই ক্ষেপণাস্ত্র দুটির মধ্যে ‘কাদর’-এ যুক্ত করা হয়েছে ইলেকট্রনিক কাউন্টারমেজার বা ইলেকট্রনিক প্রতিরোধ সরঞ্জাম। এই প্রযুক্তি শত্রুপক্ষের রাডার বা ইলেকট্রনিক প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত করে ক্ষেপণাস্ত্রকে তার সঠিক পথে চালিত করতে সক্ষম। অন্যদিকে, ‘ইমাদ’ ক্ষেপণাস্ত্রকে আধুনিকীকরণের পর আগের চেয়ে আরও নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার জন্য উন্নত করা হয়েছে, যার নির্দেশনা ও কার্যক্ষমতা দুটোই উন্নত করা হয়েছে।

এই পুরো প্রদর্শনী শুধু ইরানের প্রযুক্তিগত শক্তির নয়, এটি একটি কঠোর রাজনৈতিক বার্তাও বহন করে। বিশ্বের নানা নিষেধাজ্ঞা, চাপ ও কূটনৈতিক জটিলতার মধ্যেও দেশটির সামরিক কৌশলে আত্মনির্ভরতার যে প্রচেষ্টা, তারই প্রতিফলন এই দুটি ক্ষেপণাস্ত্র। এমন সময়ে এই ঘোষণা এলো যখন মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা প্রতিনিয়তই বাড়ছে। কোনো কোনো বিশ্লেষক এটিকে ইরানের আত্মবিশ্বাসের প্রকাশ হিসেবে দেখছেন, আবার অন্যদের মতে এটি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সামরিক ভারসাম্যের ইঙ্গিত।

আরটিভি/এআর