images

আন্তর্জাতিক / যুক্তরাষ্ট্র

নির্বাচনে জিতেই ট্রাম্পকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন মামদানি

বুধবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৫ , ০৫:৩৪ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শহর নিউইয়র্কে ইতিহাস গড়েছেন জোহরান মামদানি। প্রথম মুসলিম এবং দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি নিউইয়র্ক সিটির মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। জয়লাভের পর বিজয় ভাষণে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন নবনির্বাচিত এই নেতা।

৩৪ বছর বয়সী মামদানি তার এই জয়কে পরিবর্তনের ম্যান্ডেট হিসেবে ঘোষণা করেন। ব্রুকলিন প্যারামাউন্টে উপস্থিত সমর্থকদের মাঝে তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে ভলিউম বাড়ানোর কথা বলে রীতিমতো চাঞ্চল্য তৈরি করেন। তার এ বক্তব্যের পর পুরো এলাকা করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুন
Rtv

বিজয় ভাষণে ট্রাম্পকে মাত্র চার শব্দে জবাব দিলেন মামদানি

দীর্ঘদিন ধরে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনার মুখে থাকা এই নেতা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, যদি ট্রাম্পের মতো একজনের দ্বারা প্রতারিত একটি জাতিকে শেখানোর ক্ষমতা কোনো শহরের থাকে, কীভাবে তাকে হারাতে হয়, তবে তা হলো নিউইয়র্ক। তিনি বলেন, ট্রাম্পকে জন্ম দেওয়া এই শহরই তাকে পরাজিত করার পথ দেখাবে। 

মামদানি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, কোনো স্বৈরশাসককে হারানোর একমাত্র উপায় হলো সেই ব্যবস্থাকে ভেঙে ফেলা, যা তাকে ক্ষমতায় যেতে সাহায্য করেছে। তিনি জানান, এভাবে শুধু ট্রাম্পই নয়, থামানো হবে পরের জনকেও।

মামদানির এ ভাষণ চলাকালীনই ট্রাম্প নিজের ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে কেবল লেখেন, ...এবং শুরু হলো! ট্রাম্প আগেই মামদানিকে কমিউনিস্ট ও পাগল বলে উপহাস করেছিলেন, এমনকি হুমকি দিয়েছিলেন যে মামদানি দায়িত্ব নিলে নিউ ইয়র্ক সিটিকে কেন্দ্রীয় তহবিল থেকে বঞ্চিত করা হতে পারে।

মেয়র নির্বাচিত হয়েই প্রথম ভাষণে মামদানি তার প্রশাসনের এজেন্ডা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, তার প্রশাসন জমি ও বাড়ির মালিকদের জবাবদিহিতার আওতায় আনবে, যারা নিউ ইয়র্ক শহরের ট্রাম্পদের মতো স্বাচ্ছন্দ্যে ভাড়াটিয়াদের শোষণ করে চলেছেন। তিনি শ্রমিক ইউনিয়নের পাশে থাকার এবং তাদের অধিকার নিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।

সবচেয়ে জোরালো করতালিটি আসে যখন মামদানি ঘোষণা করেন, নিউ ইয়র্ক থাকবে অভিবাসীদের শহর হিসেবে। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুনে রাখুন, আমাদের কারও কাছে পৌঁছাতে চাইলে, আপনাকে আগে আমাদের সবাইকে ডিঙিয়ে যেতে হবে।

আরটিভি/এআর