images

আন্তর্জাতিক

স্ত্রী কাজে গেলেই মেয়ের সঙ্গে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হতেন বাবা, অতঃপর...

বুধবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫ , ০১:২৪ পিএম

​স্ত্রী কাজে গেলেই নাবালিকা সৎ কন্যাকে দিনের পর দিন ধর্ষণ করার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হলেন সৎ বাবা। ডিএনএ পরীক্ষায় অপরাধের প্রমাণ মেলার পর মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) অভিযুক্তকে ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিল বালুরঘাটের বিশেষ পকসো আদালত। এছাড়াও নির্যাতিতার ভবিষ্যতের জন্য ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

​বালুরঘাট বিশেষ পকসো আদালতের বিচারক শরণ্যা সেনপ্রসাদ মঙ্গলবার এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন। আদালত সূত্রে খবর, দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিকে ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

দোষীর শাস্তি ঘোষণার পাশাপাশি আদালত একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছে। ধর্ষিতার পড়াশোনা এবং ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে ডিএলএসএ (জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ)-কে ২ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

​আদালত সূত্রে খবর, ২০২৪ সালের ১৮ জুন বালুরঘাট থানায় এই মর্মে একটি মামলা দায়ের করেন নির্যাতিতার মা। তিনি জানান, ১৭ জুন তার প্রথম পক্ষের সন্তান পেটে ব্যথা নিয়ে ভুগছিল। তাকে বালুরঘাট হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে জানান, কিশোরীটি চার মাসের গর্ভবতী। তবে বয়সজনিত কারণে ভ্রূণটি গর্ভেই নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। এরপর মেয়ের কাছ থেকে জানতে পারেন, তাকে নিয়মিত ধর্ষণ করেছেন সৎবাবা।

​তদন্তে নেমে পুলিশ ভ্রূণের ডিএনএ পরীক্ষা করে। তাতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, কিশোরীর সৎবাবাই এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত। জানা যায়, স্ত্রী অর্থাৎ নির্যাতিতার মা কাজের সূত্রে বাড়ির বাইরে গেলেই ওই যুবক নানা অছিলায় নাবালিকা মেয়েকে নিজের ঘরে নিয়ে গিয়ে যৌন হেনস্থা করতেন। 

আরও পড়ুন
modi

আইএমএফের কাছ থেকে ‘সি’ গ্রেড পেল ভারত, ঘটনা কী?

দিনের পর দিন ধর্ষণের ফলেই সন্তানসম্ভবা হয়ে পড়েছিল কিশোরীটি।​ দীর্ঘ শুনানির পর মঙ্গলবার অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে কঠোর শাস্তির নির্দেশ দিল বালুরঘাট আদালত।

সূত্র: আনন্দবাজার

আরটিভি/এসকে