images

আন্তর্জাতিক / ভারত

সম্পর্কের বিরোধে যুবককে হত্যা করে দেহ টুকরা টুকরা করল বন্ধু

বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ , ০৬:৪৬ পিএম

ভারতের গুজরাটে ২০ বছর বয়সী এক তরুণের নিখোঁজ হওয়ার ছয় দিন পর পুলিশ তার বিচ্ছিন্ন দেহাবশেষ উদ্ধার করেছে। পুলিশ জানায়, তরুণের প্রেমিকাকে কুপ্রস্তাব দিয়েছিলেন তারই ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আর সেই কথা ফাঁস হয়ে যাওয়াতেই তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে দেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কুয়োয় ফেলে দেওয়া হয়। খবর এনডিটিভির।

২ ডিসেম্বর গুজরাটের মহেশ্বরী নখত্রানার মুরু গ্রাম থেকে রমেশ মহেশ্বরী নামে ওই তরুণ নিখোঁজ হন। পরিবারের ডায়েরির ভিত্তিতে পুলিশ অনুসন্ধান শুরু করে এবং এক পর্যায়ে রমেশের বন্ধু কিশোরের ওপর সন্দেহ সৃষ্টি হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করার পরই বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

আরও পড়ুন
Night-Club

আগুন দেখেও ‘মেহবুবা মেহবুবা’ গানে উদ্দাম নাচ, অতঃপর...

তদন্তে জানা যায়, ইনস্টাগ্রামে এক পরিচিত নারীকে কেন্দ্র করে দুই বন্ধুর মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়েছিল, যা শেষ পর্যন্ত নৃশংস হত্যাকাণ্ডে পরিণত হয়। অভিযুক্ত কিশোর ইনস্টাগ্রামে রমেশের পরিচিত সেই নারীকে বার্তার মাধ্যমে সম্পর্ক করার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। নারীটি এই বিষয়টি রমেশকে জানানোর পরই দুই বন্ধুর মধ্যে তীব্র ঝামেলা শুরু হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে কিশোর রমেশকে খুন করার সিদ্ধান্ত নেয়।

জিজ্ঞাসাবাদে কিশোর স্বীকার করে, ঝগড়ার এক পর্যায়ে সে রমেশকে হত্যা করেছে। এই হত্যাকাণ্ডে আরও এক কিশোরেরও সংশ্লিষ্টতা ছিল বলে জানা গেছে।

কিশোর পুলিশকে জানায়, সে রমেশকে তাদের এলাকার বাইরে নিয়ে গিয়ে খুন করে। এরপর অপরাধ ঢাকতে সে একটি ছুরি দিয়ে রমেশের মাথা, হাত ও পা কেটে আলাদা করে ফেলে। রমেশের দেহের টুকরাগুলো একটি গভীর কুয়োর মধ্যে ফেলে দেওয়া হয় এবং বাকি দেহটি কাছাকাছি এক জায়গায় মাটিচাপা দেওয়া হয়।

কিশোরের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পুলিশ গত সোমবার ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটিচাপা দেওয়া দেহাংশ উদ্ধার করে। পরে কুয়া থেকে টুকরা টুকরা করে ফেলে দেওয়া অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোও উদ্ধার করা হয়। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আরও তদন্ত চলছে।

আরটিভি/এআর