images

আন্তর্জাতিক

আমাকে কেন মৃত ঘোষণা করা হলো, পুলিশকে খুন হওয়া ব্যক্তির প্রশ্ন

বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ , ১২:৫০ পিএম

ভারতের ছত্তিশগড় রাজ্যের জশপুর জেলায় এক অদ্ভুত ও চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। যা পুরো রাজ্যের অপরাধ বিচার ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। পুলিশ ২২ অক্টোবর একটি অর্ধেক পোড়া মৃতদেহ উদ্ধার করে সেটিকে মৃত হিসেবে ঘোষণা করে। মৃতদেহের পরিচয় সীতংগা গ্রামের বাসিন্দা সীবিত খাকার (৩০) বলে নির্ধারণ করা হয়। মৃতদেহ শনাক্তের জন্য পরিবারের সদস্য এবং এক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

এই ঘটনায় পাঁচজন রামজিৎ রাম, বীরেন্দ্র রামসহ গ্রেপ্তার হন এবং তারা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে স্বীকারোক্তিও দেন। ফরেনসিক পরীক্ষায় অপরাধের পুনর্নির্মাণের পর পুলিশ দৃঢ় বিশ্বাস করে কেসটি একেবারে সুনিশ্চিত।

কিন্তু ঘটনার নাটকীয়তা তখনই শুরু হয়, যখন গত শনিবার রাতে সীবিত খাকা নিজেই সিটি কোতোয়ালি থানায় হাজির হয়ে জানান, তিনি জীবিত। তিনি বললেন, কাজের সন্ধানে ঝাড়খণ্ডে ছিলেন এবং মোবাইল ফোন না থাকায় পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি। দেশে ফিরে জানতে পারেন তিনি নথিভুক্তভাবে মৃত ঘোষণা এবং তার বন্ধুদের ‘খুন’ করার অপরাধে জেলে পাঠানো হয়েছে।

থানায় এসে ক্ষুব্ধ সীবিত প্রশ্ন করেন, আমি বেঁচে থাকতেও কেন আমাকে মৃত ঘোষণা করা হলো? কেন ডিএনএ টেস্ট করা হলো না? আমার বন্ধুরা বিনা দোষে জেল খাটছে, তাদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হোক। আমার ছোট ছোট বাচ্চারা তিন মাস ধরে ঠিকমতো খেতে পারছে না। একজন জ্যান্ত মানুষকে মৃত ঘোষণা করা এটা কেমন আইন?

আরও পড়ুন
MOBILE

নারী ও কিশোরীদের জন্য ক্যামেরাযুক্ত ফোন নিষিদ্ধ

এই ঘটনা ছত্তিশগড়ের আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বড় ধরনের প্রশ্ন তোলে এবং পুলিশি তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও যথার্থতার বিষয়ে সন্দেহ জন্মায়। বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে যথাযথ ব্যাখ্যা ও পদক্ষেপ দাবি করা হচ্ছে।

সূত্র: এনডিটিভি

আরটিভি/এসকে