images

আন্তর্জাতিক / যুক্তরাষ্ট্র

৩৫ বছরেই চলে গেলেন জন এফ কেনেডির নাতনি তাতিয়ানা

বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ , ০৫:১৪ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও রহস্যঘেরা রাজনৈতিক পরিবার হিসেবে পরিচিত কেনেডি পরিবারে আবারও নেমে এল শোকের ছায়া। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির নাতনি এবং প্রথিতযশা পরিবেশ সাংবাদিক তাতিয়ানা শ্লোসবার্গ মাত্র ৩৫ বছর বয়সে মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে তার মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছে জন এফ কেনেডি লাইব্রেরি ফাউন্ডেশন। দীর্ঘ রোগভোগের পর তার এই অকাল প্রয়াণ কেনেডি পরিবারের পুরনো ক্ষতগুলোকে যেন আবারও সতেজ করে তুলল। খবর বিবিসির। 

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আমাদের প্রিয় তাতিয়ানা আর নেই। সে আমাদের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবে।

তাতিয়ানা ছিলেন বিশিষ্ট ডিজাইনার এডউইন শ্লোসবার্গ এবং বর্তমান মার্কিন কূটনীতিক ক্যারোলিন কেনেডির মেয়ে। তার এই মৃত্যুতে বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক ও সাংবাদিকতা অঙ্গনে শোকের আবহ বিরাজ করছে।

আরও পড়ুন
11

ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজ তৈরির ঘোষণা ট্রাম্পের

তাতিয়ানার জীবনের শেষ সময়টা ছিল চরম যন্ত্রণাদায়ক। গত নভেম্বরে তিনি নিজেই এক নিবন্ধে জানিয়েছিলেন যে, তিনি বিরল এক ক্যানসারে আক্রান্ত। ২০২৪ সালের মে মাসে তার দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের ঠিক পরেই চিকিৎসকরা তার শরীরে ‘অ্যাকিউট মাইলয়েড লিউকেমিয়া’ শনাক্ত করেন। এটি রক্ত ও অস্থিমজ্জার একটি অত্যন্ত দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ক্যানসার। ‘এ ব্যাটল উইথ মাই ব্লাড’ শীর্ষক এক লেখায় তিনি লিখেছিলেন, চিকিৎসকরা তাকে এক বছরেরও কম সময় দিয়েছিলেন।

শ্লোসবার্গের মৃত্যু কেনেডি পরিবারের জন্য এক নতুন ট্র্যাজেডি। এই পরিবারটি দশকের পর দশক ধরে রহস্যময় সব মৃত্যুর শিকার হয়েছে। ১৯৬৩ সালে প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি আততায়ীর গুলিতে নিহত হন। ১৯৯৯ সালে তার নাতনি তাতিয়ানার চাচা জন এফ কেনেডি জুনিয়র বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। নিজের অকাল মৃত্যুর আগে তাতিয়ানা লিখেছিলেন, তার সবচেয়ে বড় কষ্ট হলো সন্তানদের নিয়ে, কারণ তার ছোট সন্তানরা বড় হয়ে মাকে হয়তো মনেই রাখতে পারবে না।

আরটিভি/এআর