images

আন্তর্জাতিক / যুক্তরাষ্ট্র

আরও এক দেশে সরকার পরিবর্তনের হুমকি ট্রাম্পের

শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬ , ১২:২৫ পিএম

মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে উত্তেজনার মধ্যেই এবার নতুন এক দেশে সরকার পরিবর্তনের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সরাসরি কিউবায় সরকার পরিবর্তনের হুমকি দেন। আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। 

ট্রাম্প বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে তার প্রশাসনের চলমান সামরিক ও কৌশলগত অভিযান শেষ হওয়ার পরপরই কিউবার বিরুদ্ধে বড় ধরনের পদক্ষেপ শুরু হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ‘কিউবায় বর্তমানে যা ঘটছে তা সত্যিই আশ্চর্যজনক। তবে আমরা প্রথমে ইরান ইস্যুটি শেষ করতে চাই। কিউবায় আমাদের পদক্ষেপ শুরু হওয়া এখন কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।’ 

আরও পড়ুন
1

নিরাপত্তা সচিবকে বরখাস্ত করলেন ট্রাম্প

নিজের বক্তব্যে ট্রাম্প মার্কিন সামরিক বাহিনীর আধুনিকায়ন ও পুনর্গঠনের ওপর বিশেষ জোর দেন। তিনি দাবি করেন, তার প্রথম মেয়াদ থেকেই তিনি সামরিক বাহিনীকে অভাবনীয়ভাবে গড়ে তুলেছেন। ট্রাম্প বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমি যতটা চাই তার চেয়েও বেশি সামরিক শক্তি ব্যবহার করছি; কিন্তু যখনই আমরা এটি ব্যবহার করেছি, আমরা দেখেছি যে এটি অবশ্যই কার্যকর হয়েছে।’

সাম্প্রতিক সময়ে ভেনিজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযানের পর থেকেই কিউবা নিয়ে ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান বিশ্বরাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। ইতিপূর্বে তিনি কিউবাকে আলটিমেটাম দিয়ে বলেছিলেন, যদি হাভানা ওয়াশিংটনের শর্ত অনুযায়ী বাণিজ্য চুক্তিতে না আসে, তবে অদূর ভবিষ্যতে দেশটি ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। 

ট্রাম্পের হুমকির তালিকায় কেবল কিউবা নয়, বরং দেশটির মিত্র রাষ্ট্রগুলোও রয়েছে। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, কোনো দেশ যদি কিউবায় তেল রপ্তানি করার চেষ্টা করে, তবে সেই দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করবে। মূলত কিউবার জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে দেশটির সরকারকে জনবিক্ষোভের মুখে ফেলার কৌশল নিয়েছে হোয়াইট হাউস।

তবে কিউবা সরকার ট্রাম্পের এই হুমকিকে তাদের সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে। হাভানা জানিয়েছে, তারা যেকোনো বহিঃশত্রুর আক্রমণ মোকাবিলায় প্রস্তুত। 

আরটিভি/এআর