images

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের রণতরিকে সহায়তাকারীদের ওপরও হামলা চালাবে ইরান

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬ , ০৫:১৮ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ডকে সহায়তা করা যেকোনো কেন্দ্র ইরানের হামলার বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য হবে বলে সতর্ক করেছে তেহরান।

রোববার (১৫ মার্চ) মার্কিন মিত্রদের উদ্দেশে এই হুমকি দেন ইরানের খাতাম আল-আনবিয়ার কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের মুখপাত্র। 

তিনি বলেন, লোহিত সাগরে ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ডের উপস্থিতি ইরানের জন্য হুমকি তৈরি করছে। লোহিত সাগরে মার্কিন বিমানবাহী রণতরিটিকে যেসব কেন্দ্র লজিস্টিকসহ অন্যান্য সহায়তা দিচ্ছে, সেগুলো ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে।

খাতাম আল-আনবিয়ার কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর হলো ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের অধীন একটি শাখা। এর দায়িত্ব বিভিন্ন ইরানি সামরিক ইউনিটকে নিয়ে পরিচালিত অভিযানের পরিকল্পনা ও সমন্বয় করা।

আরও পড়ুন
israel

আরও কতদিন চলতে পারে ইরান যুদ্ধ, জানালেন ইসরায়েলি মন্ত্রী

উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

এর জেরে পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এ যৌথ সামরিক অভিযানে প্রথম ধাক্কাতেই প্রাণ হারান ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তার পরিবার। সেইসঙ্গে হত্যা করা হয় ইরানের সেনাবাহিনীর শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন কমান্ডারকেও। এর জবাবে ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে ইরানও। ১৭ দিন ধরে চলমান এই হামলা-পাল্টা হামলায় ইতোমধ্যে ভয়ংকর যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্য।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন ইরানে।

আরটিভি/এসএইচএম