শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬ , ০৫:৫৪ পিএম
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। রাতভর ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, হিজবুল্লাহর রকেট নিক্ষেপের জবাবে তাদের বিমান বাহিনী লেবাননের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার লক্ষ্য ছিল হিজবুল্লাহর রকেট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ও সামরিক স্থাপনা।
অন্যদিকে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ গোষ্ঠী দাবি করেছে, তারা ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় রকেট হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার ফলে তেল আবিবসহ বিভিন্ন শহরে সতর্কতা জারি করা হয় এবং সাইরেন বেজে ওঠে।
এ সংঘর্ষ এমন এক সময়ে ঘটছে, যখন ইরানকে ঘিরে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। লেবানন এই চুক্তির আওতায় পড়বে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পাকিস্তানে নির্ধারিত আসন্ন শান্তি আলোচনার আগে এই পরিস্থিতি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্ধৃতি দিয়ে সম্প্রতি বলা হয়েছিল, লেবাননে ইসরায়েল তাদের সামরিক কার্যক্রম আরও ‘সংযত’ রাখবে। বিশ্লেষকদের মতে, এর মাধ্যমে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর প্রতি সংযম দেখানোর আহ্বান জানানো হয়েছিল।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার ইসরায়েলের হামলায় দেশটিতে ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
অন্যদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন প্রেস টিভির এক প্রতিবেদনে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে প্রতিশোধ নেওয়ার অধিকার তারা সংরক্ষণ করে রেখেছে। এতে লেবাননের হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর ভূমিকাও ইঙ্গিত করা হয়েছে।
সামগ্রিক পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর সংঘাতের আশঙ্কা আরও জোরালো করে তুলছে।
সূত্র : বিবিসি
আরটিভি/এসকে