images

আন্তর্জাতিক

অং সান সু চির সাজার মেয়াদ কমালো মিয়ানমার

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ , ০৪:৪৩ পিএম

মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক নেত্রী অং সান সু চির কারাদণ্ড কমিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে সাধারণ ক্ষমার অংশ হিসেবে মুক্তি পেয়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সু চির আইনজীবী রয়টার্সকে জানান, নতুন প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের ঘোষিত সাধারণ ক্ষমার আওতায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাঁচ বছর আগে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সু চির সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতায় আসে সেনাবাহিনী।

বর্তমানে ৮০ বছর বয়সী সু চি বিভিন্ন অভিযোগে ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছিলেন। তার বিরুদ্ধে উসকানি, দুর্নীতি, নির্বাচন জালিয়াতি এবং রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনের মতো অভিযোগ আনা হয়েছিল। তবে তার সমর্থকরা এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছেন।

আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, সু চির সাজা এক-ষষ্ঠাংশ কমানো হয়েছে। তবে তিনি বাকি সাজা গৃহবন্দি অবস্থায় কাটানোর সুযোগ পাবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে সু চিকে জনসমক্ষে আর দেখা যায়নি এবং বর্তমানে তিনি কোথায় আছেন, সেটিও নিশ্চিত নয়।

আরও পড়ুন
Web-Image---Copy

ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়াবহ বিমান হামলা, নিহত অন্তত ১৮

এর আগে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং মোট ৪ হাজার ৩৩৫ জন বন্দির জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছেন। গত ছয় মাসে এটি তৃতীয়বারের মতো এমন উদ্যোগ। সাধারণত মিয়ানমারে স্বাধীনতা দিবস (জানুয়ারি) ও নববর্ষ (এপ্রিল) উপলক্ষে এ ধরনের ক্ষমা ঘোষণা করা হয়ে থাকে।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এমআরটিভি জানায়, মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে সাবেক প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টও রয়েছেন। তাকে নির্দিষ্ট শর্তে ক্ষমা ও সাজা হ্রাস করা হয়েছে।

২০২১ সালে সু চি ও উইন মিন্টের নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে সামরিক বাহিনী। এই অভ্যুত্থানের পর থেকে দেশটিতে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, যা এখনও অব্যাহত রয়েছে।

সম্প্রতি বিতর্কিত নির্বাচনের মাধ্যমে মিন অং হ্লাইং প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। বিরোধীরা অভিযোগ করেছে, এই নির্বাচন ছিল প্রহসনমূলক এবং সামরিক শাসনকে টিকিয়ে রাখার কৌশল মাত্র। সূত্র: রয়টার্স

আরটিভি/এমএইচজে