বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬ , ১০:২৯ এএম
যুক্তরাষ্ট্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর চ্যাটবট বা চ্যাটজিপিটির ভূমিকা নিয়ে বড় ধরনের ফৌজদারি তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, একটি গণহত্যার ঘটনায় ব্যবহৃত চ্যাটবট ওই হামলাকারীকে সহায়তা করতে পারে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এমনই এক তথ্য উঠে এসেছে।
ফ্লোরিডার অ্যাটর্নি জেনারেল জেমস উথমায়ার জানান, গত বছর ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটিতে ঘটে যাওয়া একটি গুলিবর্ষণের ঘটনায় দুইজন নিহত হন। ওই ঘটনায় অভিযুক্ত ২০ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে নিয়ে তদন্ত চলছে। অভিযোগ, হামলার আগে সে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর চ্যাটবট ব্যবহার করেছিল।
তিনি বলেন, তদন্তে দেখা গেছে, হামলার আগে ওই চ্যাটবট তাকে অস্ত্রের ধরন, গুলি ব্যবহারের পদ্ধতি এবং হামলার সময় ও স্থান বাছাই নিয়ে তথ্য দিতে পারে। এসব তথ্যের ভিত্তিতেই ফৌজদারি তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
তবে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চ্যাটবট কোনোভাবেই সহিংসতা বা অবৈধ কাজকে উৎসাহ দেয়নি। বরং এটি শুধু সাধারণভাবে ইন্টারনেটে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উত্তর দিয়েছে।
কোম্পানিটি আরও জানায়, তারা ইতোমধ্যে তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা করছে এবং সন্দেহভাজন ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত তথ্যও শেয়ার করেছে।
অ্যামেরিকান আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি অপরাধে সহায়তা বা উৎসাহ দিলে তাকে দায়ী ধরা হতে পারে। তবে এখানে প্রশ্ন উঠেছে, একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান কতটা দায়ী হতে পারে এমন ঘটনায়।
এর আগে আরও কয়েকটি ঘটনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়। কিছু পরিবার ইতোমধ্যে কোম্পানিটির বিরুদ্ধে মামলা করেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা জরুরি। কারণ প্রযুক্তির অপব্যবহার বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
সূত্র: বিবিসি
আরটিভি/জেএমএ