বুধবার, ০৬ মে ২০২৬ , ০৯:২০ এএম
রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে অন্তত ২৬ জন নিহত এবং ৮০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে চালানো এ হামলায় পূর্ব, দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তরাঞ্চলের একাধিক শহর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের ক্রামাতোরস্ক, দক্ষিণ-পূর্বের জাপোরিঝঝিয়া এবং উত্তরের চেরনিহিভ অঞ্চলে শক্তিশালী গ্লাইড বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে বলে জানানো হয়েছে।
জাপোরিঝঝিয়া অঞ্চলের গভর্নর ইভান ফেদোরভ জানান, শুধু তাঁর অঞ্চলেই অন্তত ১২ জন নিহত এবং আরও অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।
এ হামলা এমন সময়ে চালানো হলো, যখন কিয়েভ ঘোষিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি ছিল। একই সময়ে মস্কোও আগামী তিন দিনের মধ্যে যুদ্ধবিরতি শুরুর পরিকল্পনা করছিল। এর একদিন আগে উভয় পক্ষ পাল্টাপাল্টি যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয়।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, দোনেৎস্ক অঞ্চলের কিয়েভ-নিয়ন্ত্রিত শেষ বড় শহর ক্রামাতোরস্কে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া দিনিপ্রো শহরে নিহত হয়েছেন চারজন।
এদিকে পোলতাভা ও খারকিভ অঞ্চলে ইউক্রেনের সরকারি গ্যাস স্থাপনাতেও দফায় দফায় হামলা চালানো হয়। এতে অন্তত পাঁচজন নিহত হন। ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি কোম্পানি নাফতোজাজ-এর প্রধান নির্বাহী সেরহি কোরেতস্কি জানান, হামলায় তাঁদের তিন কর্মচারী ও দুই উদ্ধারকর্মী নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ৩৭ জন।
তিনি বলেন, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। এর ফলে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি অভিযোগ করে বলেন, যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ার পরও হামলা চালিয়ে রাশিয়া “চরম নৈরাশ্যজনক ও নির্লজ্জ আচরণ” দেখিয়েছে।
আরটিভি/এসকে