সোমবার, ১১ মে ২০২৬ , ০৮:০৯ এএম
মিয়ানমারে ৫.০ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এর প্রভাব বাংলাদেশেও অনুভূত হয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় গভীর রাতে কম্পন টের পান মানুষ।
জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস জানিয়েছে, রোববার (১০ মে) দিবাগত রাত ১টা ৩৬ মিনিটে এ ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। প্রাথমিকভাবে এর কেন্দ্রস্থল নির্ণয় করা হয়েছে ২০.৪৬ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯৩.৯৪ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।
সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্যমতে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল মিয়ানমারের সিদোকতাইয়া এলাকার প্রায় ১১ কিলোমিটার দূরে।
তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে রাতের এ আকস্মিক কম্পনে অনেকের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এর আগে, শনিবার (৯ মে) বিকেল ৩টা ১০ মিনিটের দিকে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় আরেকটি মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর না মিললেও জনমনে সাময়িক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার তথ্যে ভূমিকম্পটির মাত্রা ও কেন্দ্রস্থল নিয়ে কিছুটা পার্থক্য দেখা গেছে। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি ভূমিকম্পটির মাত্রা ৪.৫ বলে জানায়। অন্যদিকে ইউএসজিএস এর মাত্রা ৪.৪ উল্লেখ করেছে।
ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প বিজ্ঞান কেন্দ্রের তথ্যমতে, ওই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল ভারতের আসামের বিলাসিপাড়া এলাকায়। ভূমিকম্পটির গভীরতা কম হওয়ায় সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে কম্পন বেশি অনুভূত হয়।
লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকা থেকে স্থানীয়রা কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের ঝাঁকুনি অনুভব করার কথা জানিয়েছেন।
আরটিভি/এসকে