সোমবার, ১১ মে ২০২৬ , ১২:২০ পিএম
চীনে হালকা সর্দি-কাশির চিকিৎসা নিতে গিয়ে ভয়াবহ ঘটনার শিকার হয়েছেন ২৪ বছর বয়সী এক তরুণী। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভুল ইঞ্জেকশনের কারণে তিনি কোমায় চলে যান এবং প্রায় ৯২ দিন পর বিয়ের মাত্র দুই দিন আগে জ্ঞান ফিরে পান।
প্রতিবেদনে জানা যায়, পূর্ব চীনের বাসিন্দা ওয়াং রানরান শীতজনিত সর্দি-কাশি নিয়ে হাসপাতালে গেলে তাকে একটি ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, তার কোনো ওষুধে অ্যালার্জি আছে কি না তা যাচাই না করেই ইঞ্জেকশনটি দেওয়া হয়। ইঞ্জেকশন দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই তার জিভ অসাড় হয়ে যায় এবং শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। পরে তার শরীরে অ্যাসিডোসিস ধরা পড়ে এবং মস্তিষ্কে প্রায় চার মিনিট অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
এর পরপরই তিনি কোমায় চলে যান। দীর্ঘ চিকিৎসা ও প্রায় চার মাসের অবস্থা সংকটাপন্ন থাকার পর অবশেষে এপ্রিল মাসে, বিয়ের মাত্র দুই দিন আগে তিনি জ্ঞান ফিরে পান।
ঘটনাটির তদন্তে জানা যায়, ইঞ্জেকশন প্রদানকারী ব্যক্তি একজন প্রশিক্ষিত চিকিৎসাকর্মী ছিলেন না। পরে সংশ্লিষ্ট ক্লিনিকটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। ভুক্তভোগী পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২ লাখ ইউয়ান দেওয়া হলেও তার চিকিৎসায় প্রায় ৭ লাখ ইউয়ান ব্যয় হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
আরটিভি/এসকে