images

আন্তর্জাতিক / ভারত

কলকাতার রাস্তায় জুমার নামাজ পড়তে বাধা পুলিশের, ব্যাপক উত্তেজনা

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬ , ০৫:০৯ পিএম

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় জুমার নামাজ পড়াকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে একদল মুসল্লির বাগ্‌বিতণ্ডা ও উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে। 

শুক্রবার (১৫ মে) দুপুরে রাজাবাজার ক্রসিং এলাকায় রাস্তার ওপর নামাজ আদায় করাকে কেন্দ্র করে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, শুক্রবার জুমার নামাজের সময় রাজাবাজার ক্রসিংয়ে রাস্তার একাংশ জুড়ে নামাজ পড়তে শুরু করেন স্থানীয় কিছু মুসলিম যুবক। জনবহুল ওই সড়কে নামাজ পড়ার কারণে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে ওই যুবকদের তীব্র বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ওই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

আন্দোলনরত যুবকদের দাবি, তারা পূর্বের মতোই রাস্তায় নামাজ আদায় করবেন এবং পুলিশের দেওয়া কোনো বাধা মানবেন না। তবে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, রাজ্যে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও সরকার বদলের পর জনভোগান্তি রোধে নতুন কিছু নিয়মকানুন জারি করা হয়েছে। অনেক বাসিন্দা এসব নিয়ম সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত না থাকায় এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন
1

আলু-পেঁয়াজ রপ্তানির বিষয়ে বড় সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর

ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত রাজাবাজার এলাকায় পৌঁছায় স্থানীয় থানার বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য। পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করলে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়।

পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে এবং দীর্ঘ আলোচনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজাবাজার ও আশপাশের মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় বেশ কিছু সময় ধরে থমথমে অবস্থা ও চাঞ্চল্য বিরাজ করে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ জানিয়েছেন, ব্যস্ত সড়কে এভাবে নামাজ পড়লে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।

বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি করেছে কলকাতা পুলিশ। তবে নতুন করে যেন কোনো বিশৃঙ্খলা না ঘটে, সে জন্য রাজাবাজার ক্রসিং ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত নজরদারি এবং কড়া পুলিশি পাহারা অব্যাহত রাখা হয়েছে।

আরটিভি/এআর