images

আন্তর্জাতিক / যুক্তরাষ্ট্র

সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তার খোঁজে ২ লাখ ডলার পুরস্কার ঘোষণা

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬ , ১১:৩৬ এএম

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা মনিকা উইটকে ধরিয়ে দিতে ২ লাখ ডলার (প্রায় ২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা) পুরস্কার ঘোষণা করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই। ২০১৩ সালে তিনি ইরানে পালিয়ে যান এবং বর্তমানে তিনি সেখানে বসেই যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত রয়েছেন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। খবর  টিআরটি ওয়ার্ল্ডের। 

এফবিআই এক বিবৃতিতে বলেছে, ইরানের ইতিহাসের এই ‘সংকটময় মুহূর্তে’ মনিকা উইটের অবস্থান সম্পর্কে কারও কাছে কোনো তথ্য থাকলে তা যেন সংস্থাকে জানানো হয়। ওয়াশিংটনে এফবিআইয়ের কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তা ড্যানিয়েল ওয়াইরজবিকি বলেন, এফবিআই তাকে ভুলে যায়নি এবং তাকে বিচারের আওতায় আনতে তারা সবার সহযোগিতা চাইছেন।

মনিকা উইট মার্কিন বিমানবাহিনীর ‘অফিস অব স্পেশাল ইনভেস্টিগেশনস’-এ কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০০৩ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত তিনি মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও গোয়েন্দা মিশনে দায়িত্ব পালন করেন।

আরও পড়ুন
Web-Image

চীন থেকে দেশে ফেরার পথেই তাইওয়ানকে কড়া বার্তা ট্রাম্পের

২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাটর্নি জেনারেল জন ডেমার্স অভিযোগ করেছিলেন, ইরান সুকৌশলে মনিকাকে নিজেদের পক্ষে নিয়ে গেছে। এরপর তিনি ইরানে পালিয়ে যান এবং যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যন্ত গোপনীয় গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ কর্মসূচি ফাঁস করে দেন। এমনকি তিনি একজন মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তার আসল পরিচয়ও প্রকাশ করে দেন, যার ফলে ওই কর্মকর্তার জীবন চরম ঝুঁকির মুখে পড়ে।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০১২ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে মনিকা ইরান ও ইরানের বাইরের গোয়েন্দাদের সঙ্গে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত এমন সব গুরুত্বপূর্ণ নথি ও গোপন তথ্য সরবরাহ করেছেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি এবং ইরানের সুবিধায় ব্যবহৃত হয়েছে।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ইরানে পালিয়ে যাওয়ার পর দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে মনিকাকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য ঘরবাড়ি, আধুনিক কম্পিউটার সরঞ্জামসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও সেবা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে মনিকা উইটের কোনো আইনি প্রতিনিধি বা আইনজীবী রয়েছেন কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে মার্কিন প্রশাসন তাকে যেকোনো মূল্যে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

আরটিভি/এআর