রোববার, ১৭ মে ২০২৬ , ০৯:৪৯ পিএম
পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় আসার পরই অবৈধ অনুপ্রবেশ ও বাংলাদেশের সঙ্গে অরক্ষিত সীমান্ত বরাবর কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ নিয়ে কঠোর বার্তা দিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এরপরই সীমান্তের বিভিন্ন অংশে জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত বৈঠকে বসেছে বিএসএফ ও সরকারি কর্মকর্তারা।
রোববার (১৭ মে) ভারতে সরকারি ছুটির দিনে সীমান্ত পরিদর্শন করেছেন খাদ্য, খাদ্য সরবরাহ ও সমবায় মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া।
এদিন বিএসএফের অধীনস্ত কালিয়ানী সীমান্ত পরিদর্শন শেষে সেখানকার বর্ডার আউটপোস্টে (বিওপি) যান মন্ত্রী। বৈঠক করেন বিএসএফ কর্মকর্তাদের সঙ্গে। কথা বলেন সীমান্তে বসবাসরত স্থানীয় মানুষদের সঙ্গেও।
মন্ত্রী বলেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাঁটাতার দেওয়া হবে। কাঁটাতার লাগানো নিয়ে কোনও আপস করা হবে না। দেশের সুরক্ষার স্বার্থে কোনও আপস করা হবে না।
তিনি বলেন, কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণে ব্যক্তিগত জমির নির্ধারিত দাম পাওয়া নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) হোক বা তৃণমূলের গুন্ডা কারও সঙ্গেই কম্প্রোমাইজ করা হবে না, কে বাধা দিল তাতে কিচ্ছু যায় আসে না।
অন্যদিকে মালদায় সরকারের নির্দেশের পরপরই স্থানীয় চাষীদের থেকে জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হয়ে গেছে। মালদা জেলা প্রশাসনের নির্দেশে গত শুক্রবার (১৫ মে) সকাল থেকেই হবিবপুর ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের কর্মকর্তারা সীমান্ত এলাকার কৃষকদের কাছ থেকে জমি অধিগ্রহণ করার প্রক্রিয়া শুরু করেন।
জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া চলে হবিবপুর ব্লকের জাজইল অঞ্চলের ভবানীপুর, ভাবুক, আগ্রা, ইটাঘাটি, কোটালপুরসহ বিভিন্ন এলাকায়। প্রতিটি এলাকাতেই সীমান্ত এলাকার কৃষকরা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে তারকাঁটার বেড়া তৈরির জন্য জমি দিতে স্বেচ্ছায় ক্ষতিপূরণের বিনিময়ে জমি দিয়েছেন।
আরটিভি/এসআর