বুধবার, ২০ মে ২০২৬ , ১০:১০ এএম
চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানে আয়োজন করা হয়েছে এক ব্যতিক্রমী গণবিয়ে অনুষ্ঠান। তবে এই আয়োজন শুধু সামাজিক অনুষ্ঠান নয়, বরং এর পেছনে রয়েছে শক্তিশালী জাতীয়তাবাদী বার্তা ও প্রতিরোধের প্রস্তুতি। বিয়েতে অংশ নেওয়া শত শত বর-কনে আসলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যেকোনো যুদ্ধে দেশের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত।
সোমবার (১৮ মে) রাতে রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত এই গণবিয়েতে শত শত বর-কনে অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর তরুণদের মনোবল বাড়াতে আয়োজন করা হয় বলে দাবি করেছে ইরান সরকার। ইমাম হোসেন স্কয়ারে শতাধিক যুগলের বিয়ে সম্পন্ন হয়, যা সরাসরি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচার করা হয়।
গণবিয়ের এই কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে জানফাদা, যার অর্থ আত্মোৎসর্গ। এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যেকোনো পরিস্থিতিতে দেশের পক্ষে দাঁড়ানোর প্রস্তুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আয়োজনে এক ভিন্ন চিত্রও দেখা যায়, বর-কনেরা সামরিক বাহিনীর সজ্জিত যানবাহনে চড়ে অনুষ্ঠানস্থলে আসেন। তবে যুদ্ধ আবহের মধ্যেও বিয়ের মঞ্চ সাজানো হয় রঙিন বেলুন ও উৎসবমুখর পরিবেশে।
এক কনে পরিচয় গোপন রাখার শর্তে গণমাধ্যমকে জানান, দেশ যুদ্ধের পরিস্থিতিতে থাকলেও নতুন জীবন শুরু করার অধিকার মানুষের আছে।
এই ব্যতিক্রমী আয়োজন ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
আরটিভি/জেএমএ