বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬ , ১০:২৪ এএম
অফিসে যাতায়াত এড়াতে অনেকেই নানা কৌশল নিলেও অস্ট্রেলিয়ার ৩১ বছর বয়সী জর্জিয়া স্যামুয়েলস বেছে নিয়েছেন একেবারে ভিন্ন পথ। তিনি কাজের জন্য প্রতি দুই সপ্তাহ পরপর প্রায় ৩ হাজার মাইল দূরত্ব পাড়ি দিয়ে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর অতিক্রম করে অফিসে যান। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদ সংস্থা দ্য মিররের এক প্রতিবেদনে এমনটাই জানা যায়।
জর্জিয়া আগে অস্ট্রেলিয়ার পার্থে থাকতেন। পরে গত বছরের নভেম্বরে তিনি নিজের গাড়ি ও জিনিসপত্র বিক্রি করে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। বর্তমানে তিনি ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার একটি প্রত্যন্ত খনিতে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেন। নিয়ম অনুযায়ী, তাকে দুই সপ্তাহ খনিতে কাজ করতে হয় এবং পরের দুই সপ্তাহ ছুটি পান।
এই ছুটির সময়টাই তিনি বালিতে কাটান। সেখানকার কম খরচের জীবনযাপন ও আরামদায়ক পরিবেশ তাকে আকৃষ্ট করেছে। জর্জিয়া জানান, পার্থে থাকতে তার সামাজিক জীবন ভালো ছিল না। পরে বালির জীবনধারা ও ফিটনেস সংস্কৃতি তাকে সেখানে স্থায়ী হতে উৎসাহিত করে।
তিনি আরও জানান, বালিতে জীবনযাত্রার খরচ অনেক কম হওয়ায় তার মাসিক ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। মাত্র ১৫০ ডলারে দুজনের ভালো মানের খাবার পাওয়া যায় বলেও তিনি উল্লেখ করেন। গত ছয় মাসে তিনি নিজে কোনো রান্নাও করেননি।
অন্যদিকে একইভাবে দূরপাল্লার যাতায়াত করে কর্মজীবন চালাচ্ছেন ৩৩ বছর বয়সী ইথান স্পিবিও। তিনি ও তার স্বামী লন্ডন ছেড়ে স্পেনের বার্সেলোনায় বসবাস শুরু করেন। সেখান থেকে তিনি নিজের ব্যবসা পরিচালনা করেন এবং মাসে কয়েকবার কাজের প্রয়োজনে লন্ডনে যাতায়াত করেন।
বার্সেলোনা থেকে লন্ডনে নিয়মিত ফ্লাইট থাকায় তার যাতায়াতে সমস্যা হয় না। বরং তার মতে, এই জীবনযাপন লন্ডনে থেকে প্রতিদিন অফিস করার চেয়ে অনেক বেশি সাশ্রয়ী ও আরামদায়ক।
আরটিভি/জেএমএ