images

আন্তর্জাতিক

গরু কোরবানিতে জিরো টলারেন্স, রাস্তা আটকে নামাজে নিষেধাজ্ঞা

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬ , ০৪:৩৫ পিএম

পশ্চিমবঙ্গের পর এবার ভারতের উত্তর প্রদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা (কোরবানির ঈদ) উদযাপন নিয়ে কঠোর বিধিনিষেধ ও নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।  

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ‘নিষিদ্ধ পশু’ কোরবানির বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখবে। এছাড়া কোনোভাবেই খোলা জায়গায় বা জনসমাগমস্থলে পশু কোরবানি করা যাবে না। একই সঙ্গে রাস্তা বন্ধ করে ঈদের নামাজ আদায়ের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (২৪ মে) প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের একটি আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে মুখ্যমন্ত্রী এই নির্দেশনাগুলো দেন।

বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়ে বলেন, যত্রতত্র বা খোলা স্থানে পশু কোরবানি বন্ধ করতে হবে। শুধুমাত্র আগে থেকে নির্ধারিত স্থানেই কোরবানির অনুমতি দেওয়া যাবে। এছাড়া উৎসবকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের নতুন রীতি বা প্রথা চালু করা যাবে না বলেও তিনি সতর্ক করেন। এমনকি বৈধ কসাইখানাগুলোর ক্ষেত্রেও ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত পশু না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এড়াতে কড়া অবস্থান নিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী জানান, ঈদের নামাজ শুধুমাত্র প্রচলিত এবং নির্ধারিত মসজিদ বা ঈদগাহেই আদায় করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই সড়ক বা রাস্তা বন্ধ করে নামাজ পড়ার অনুমতি দেওয়া হবে না। তবে উৎসবটি যেন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়, সেজন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ, পরিচ্ছন্নতা এবং কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

এর আগে, পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকারও ঈদুল আজহা উপলক্ষে গবাদিপশু কোরবানি ও জবাইয়ের নিয়মে বেশ কিছু জটিল বিধিনিষেধ আরোপ করে। উত্তর প্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের এই কড়াকড়ির কারণে দুই রাজ্যের পশুর হাটে এবং কেনাবেচায় বড় ধরনের স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। ফলে মুসলিম ও হিন্দু খামারি ও ব্যবসায়ী উভয় পক্ষই ব্যাপক আর্থিক লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছেন বলে জানা গেছে।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

আরটিভি/ এসকেডি