শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬ , ০২:৫৫ পিএম
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ তার মেরে ফেলার স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এরপরই শুরু হয়েছে কয়েক দিনব্যাপী শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা। এমনটাই জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম উইয়ন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার (৩ জুলাই) তেহরানে খামেনির কফিন জনসাধারণের সামনে আনার পর তা গোপনে সেই স্থানে নেওয়া হয়, যেখানে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় তিনি নিহত হন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, তেহরানের জোমহুরি সড়কে অবস্থিত ওই স্থানকে পরে শোকপ্রকাশকারীদের জন্য অস্থায়ী স্মৃতিস্থানে পরিণত করা হয়েছে।
ইরানি কর্তৃপক্ষের মতে, দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করায় খামেনিকে শহীদ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাই মৃত্যুর স্থানে মরদেহ নেওয়াকে শহীদদের স্মরণ ও সম্মান জানানোর অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
৪ থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত খামেনির মরদেহ তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য রাখা হবে। এরপর তার নিজ শহর মাশহাদে শেষ জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে।
খামেনির শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী, তাকে ইমাম রেজার মাজার প্রাঙ্গণে দাফন করা হবে। তার শেষ বিদায়ে বিপুল মানুষের সমাগম হবে বলে আশা করছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।
এদিকে নিরাপত্তাজনিত কারণে খামেনির ছেলে ও বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতাবা খামেনি বাবার দাফন অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে অংশ নেবেন না বলে জানিয়েছেন ভারতে তার প্রতিনিধিত্বকারী আয়াতুল্লাহ হাকিম এলাহি।
তিনি বলেন, ইসরায়েলের নজরদারি ও সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে মোজতাবা খামেনির জনসমক্ষে আসা আপাতত নিরাপদ নয়। ফলে তিনি দাফনের আনুষ্ঠানিকতা থেকেও দূরে থাকবেন।
সূত্র: উইয়ন
আরটিভি/জেএমএ