images

আন্তর্জাতিক

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের ব্যাপক পাল্টাপাল্টি হামলা

রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬ , ১০:৫৮ পিএম

জর্ডানে দুই মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। এতে আরও একজন সেনা নিখোঁজ এবং চারজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় শনিবার (১৮ জুলাই) রাতে ইরানের উপকূলীয় নজরদারি ও আকাশ প্রতিরক্ষা স্থাপনায় নতুন করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে কুয়েতে থাকা দুটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইরান। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৬ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং ৪৩০ জনের বেশি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। দেশ দুইটির মধ্যে এমন ঘটনা ঘটছে বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালের আগে। এবার বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজকও যুক্তরাষ্ট্র।

অন্যদিকে, ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলতি মাসে শুরু হওয়া সর্বশেষ মার্কিন হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত এবং ৫১৭ জন আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন
Web-Image

মার্কিন ডলার ছেড়ে চীনা পেমেন্ট সিস্টেমে যোগ দিলো লিবিয়া

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে ইরানের অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তেহরান এখন পর্যন্ত কোনো পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করেনি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই সংঘাত এখন অষ্টম দিনে গড়িয়েছে। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা ও সামরিক সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস বাণিজ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ শান্তিকালীন সময়ে এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথমবারের মতো ইরানের একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনাকে চলমান সংঘাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন মাত্রা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এদিকে, ইরান দাবি করেছে, তারা নজরদারি ও হামলার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত কয়েকটি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করেছে।

অন্যদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট এলাকায় চলাচলের সময় দুটি জাহাজ দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। তবে এ বিষয়ে সংস্থাটি বিস্তারিত কোনো তথ্য দেয়নি।

আইআরজিসির বিবৃতির শেষাংশে আরও কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবাধীন কোনো জাহাজ যদি তারা ‘অনিরাপদ জলসীমা’ হিসেবে উল্লেখ করা এলাকায় প্রবেশ করে, তাহলে সেগুলোও একই ধরনের দুর্ঘটনার মুখোমুখি হবে।

সূত্র: আল-জাজিরা

আরটিভি/এমএম