বুধবার, ১৩ মে ২০২৬ , ০৮:২২ পিএম
উচ্চপর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ দিতে চীনে পা রেখেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১৩ মে) স্থানীয় সময় রাত ৮টার দিকে নিজের বিশেষ বিমান এয়ার ফোর্স ওয়ানে বেইজিংয়ে অবতরণ করেন তিনি।
বিমানবন্দরে পা রাখার পর ট্রাম্পকে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে অভ্যর্থনা জানানো হলেও সেখানে ছিলেন না শি জিনপিং। খবর সিএনএনের।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেইজিংয়ের বিমানবন্দরে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে অভ্যর্থনা জানানোর দায়িত্বে ছিলেন চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান জেং। তিনি চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন। হান জেং চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী কমিটির সাবেক সদস্য। তিনি এর আগে ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানেও যোগ দিয়েছিলেন।
কূটনৈতিক কর্মকর্তাদের মধ্যে ট্রাম্পকে স্বাগত জানাতে আরও উপস্থিত ছিলেন চীনে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডিউ এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত শিয়ে ফেং। এছাড়াও সেখানে ছিলেন চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী ভাইস মিনিস্টার মা ঝাওশু।
রাজকীয় এই আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিল একদল সামরিক গার্ড অব অনার এবং একটি সামরিক ব্যান্ড দল। সবশেষে, নীল-সাদা ইউনিফর্ম পরা ৩০০ জন চীনা তরুণ হাতে পতাকা নিয়ে কুচকাওয়াজের মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে চীনে বরণ করে নেওয়া হয়।
এই সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে মার্কিন প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিশ্বের দুই প্রভাবশালী ব্যবসায়ী—টেসলা ও স্পেস-এক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক এবং এনভিডিয়া প্রধান জেনসেন হুয়াংও রয়েছেন।
আগামী দুই দিন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই সফরের প্রধান লক্ষ্য হলো বিশ্ব বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা করা। দীর্ঘদিনের বাণিজ্যসংক্রান্ত অস্থিরতা কাটিয়ে মার্কিন কোম্পানিগুলোর জন্য চীনের বাজার আরও সহজলভ্য করা এই সফরের উদ্দেশ্য বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বেইজিংয়ে নামার আগে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে অনুরোধ করবেন যাতে তারা ব্যবসার জন্য নিজেদের বাজার আরও বেশি উন্মুক্ত করে দেয়।
আরটিভি/এসএইচএম