মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ০৩:৩৩ পিএম
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় ৫৭ সেনাকর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে হত্যা করার ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদনে নতুন তথ্য উঠে এসেছে। তদন্তে দেখা গেছে, এই হত্যাযজ্ঞের নেপথ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামরিক কুশীলব জড়িত ছিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, নতুন কমিশনের তদন্তে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, সাবেক সংসদ সদস্য শেখ ফজলে নূর তাপস, মির্জা আজম, জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। প্রসিকিউশন জানিয়েছে, সাক্ষ্য প্রমাণে উঠে এসেছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামও। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জাহিদি আদালতে ফজলে নূর তাপসের সম্পৃক্ততার তথ্য তুলে ধরেন। সাহারা খাতুনের সম্পৃক্ততার বিষয়ে সাক্ষ্য দেন মেজর মোকাররম আহম্মেদ।
উচ্চ আদালতের রায় অনুযায়ী, পিলখানা হত্যাকাণ্ডে ১৩৯ জন বিডিআর সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড, ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৮৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। তবে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার বিচারিক কার্যক্রম এখনও চলমান। মামলায় প্রায় ১,২০০ সাক্ষীর মধ্যে ৩০২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।
আসামিপক্ষের আইনজীবীর অভিযোগ, হত্যা মামলায় খালাস পেলেও দ্বিতীয় মামলায় অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে কারাভোগ করছেন।
আরটিভি/এসকে