images

আইন-বিচার / দেশজুড়ে

চাঁদপুরে হত্যা মামলায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬ , ০৮:৪৬ পিএম

চাঁদপুরের মতলবে সম্পত্তিগত বিরোধের জেরে ট্রলিচালক ওয়াসিম বেপারীকে (২৬) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় আরিফ হোসেন বেপারী (৪৩) নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১৮ মে) দুপুরে চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (দ্বিতীয় আদালত) মো. কামাল হোসাইন এ রায় দেন।

হত্যাকাণ্ডের শিকার ওয়াসিম উপজেলার শিকিরচর গ্রামের বেপারী বাড়ির মৃত সাহেব আলী বেপারীর ছেলে। অপরদিকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আরিফ হোসেন বেপারী একই বাড়ির বাসিন্দা।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের শিকার ওয়াসিমের পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই মিজানুর রহমান ওরফে 'বালু মিজানে'র পরিবারের জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। তারই ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালের ২৯ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে মিজানুর রহমান ফোন করে ওয়াসিমকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে রাতের কোনো এক সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে বাড়ির পাশের সেচ প্রকল্পের বাধের পাশে ঝোপের মধ্যে ফেলে দেয়। পরদিন সকালে তার মরদেহের সন্ধান পায় পরিবার।

আরও পড়ুন
Web-Image---Copy

বনরক্ষীর গুলিতে নিহত জেলের মরদেহ নিয়ে বনবিভাগের অফিসে হামলা

এই ঘটনায় ৩০ জুন মতলব উত্তর থানায় ওয়াসিমের মা জাহানারা বেগম (৬০) বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। 

মামলার আসামিরা ছিলেন- তৈয়ব আলী বেপারীর ছেলে মিজানুর রহমান ওরফে বালু মিজান (৪৫), আরিফ হোসেন বেপারী (৪৩), মো. আজাদ বেপারী (৪০), মো. করিম বেপারী (৩৮), মেয়ে সালমা বেগম (২৭) ও একই বাড়ির মোশারফ বেপারীর ছেলে মো. কুদ্দুছ বেপারী (২৫)।

মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় তৎকালীন মতলব উত্তর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল আউয়ালকে। তিনি মামলার তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৩১ মে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলার রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, মামলাটি আদালতে চলমান অবস্থায় ২৫ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। স্বাক্ষ্য প্রমাণ, মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা ও আসামি আরিফ তার অপরাধ স্বীকার করায় বিচারক তার উপস্থিতিতে এই রায় দেন। অপর আসামিদের অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের অপর আইনজীবী ছিলেন হারুনুর রশিদ এবং আসামি পক্ষে আইনজীবী ছিলেন জাবির হোসাইন।

আরটিভি/এমএস/এমএইচজে