images

আইন-বিচার / রাজধানী

স্ত্রীসহ আদালতে সোহেল, সাক্ষ্যগ্রহণের অপেক্ষা

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬ , ১০:৫৮ এএম

ঢাকার পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় করা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে।

মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হতে যাচ্ছে। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে এই সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম চলার কথা রয়েছে।

সাক্ষ্যগ্রহণকে কেন্দ্র করে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে তোলা হয়েছে।

সকাল ১০টা ২০ এর দিকে সোহেলকে মহানগর হাজতখানা থেকে আদালতে তোলা হয়। এর আগে পৌনে ৯টার দিকে উভয় আসামিকে কারাগার থেকে হাজতখানায় এনে রাখা হয়। 

এদিন আদালতে মামলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীরা সাক্ষ্য দেবেন। সাক্ষীদের মধ্যে রয়েছেন, মামলার বাদী রামিসার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা, সুরতহাল ও জব্দ তালিকার সাক্ষী মো. মিজানুর রহমান লিটন, প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী শেখ আবু সামা, মো. মনির হোসেন, রাইসা আক্তার, মোহাম্মদ জাকিরুল ইসলাম রাজু, মাহমুদা খাতুন, মনিরুজ্জামান শাহীন, পারভীন আক্তার, এসআই রাশেদুল ইসলাম, মো. শরীফ মিয়া, রুমা আক্তার, এসআই মো. ইকবাল হোসেন, তদন্তকারী কর্মকর্তা এএসআই মো. ইসহাক আলী, ফরেনসিক ডিএনএ বিশেষজ্ঞ শুভাজয় বৈদ্য এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান।

এর আগে গতকাল সোমবার আদালত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা এবং মরদেহ গোপনের অভিযোগে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একই দিন বিকেলে মামলার বাদীসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়।

গত ২৪ মে ট্রাইব্যুনাল দুই আসামির বিরুদ্ধে দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নেন। এর আগে একই দিনে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ১৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ মে দুপুরে পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, একই ভবনের পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা ৩২ বছর বয়সি সোহেল রানা শিশুটিকে হত্যার পর মরদেহ বিকৃত করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে তিনি ফ্ল্যাটের গ্রিল কেটে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনার দিনই রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে আসামি করে মামলা করেন।

আরটিভি/টিআর