বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬ , ০৩:৫৫ পিএম
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা হত্যা মামলায় আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন ও সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৪জুন) মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের তারিখ নির্ধারণ করবেন আদালত।
মামলার শুনানি শেষে রাষ্ট্রনিযুক্ত (লিগ্যাল এইড) আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্লাহ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, আসামি সোহেল রানার আদালতে দেওয়া বক্তব্যকে অনেকেই ‘দোষ স্বীকারসদৃশ’ হিসেবে ব্যাখ্যা করতে পারেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, শুনানির শুরুতে মামলার ১৬ জন সাক্ষীর গুরুত্বপূর্ণ জবানবন্দি আসামিদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। এতে রামিসাকে খোঁজার ঘটনা, সন্দেহভাজন ফ্ল্যাট শনাক্ত, ঘরের ভেতরে রক্তের আলামত এবং মরদেহ উদ্ধারের বিষয়গুলো উঠে আসে। অভিযোগে আরও বলা হয়, স্বপ্না আক্তার কীভাবে সোহেল রানাকে পালাতে সহায়তা করেছিলেন, সে বিষয়টিও আদালতে উপস্থাপন করা হয়।
পরে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার আওতায় আদালত আসামিদের কাছে সাক্ষ্য-প্রমাণ, ভিডিও ও আলামত সম্পর্কে ব্যাখ্যা চান। আত্মপক্ষ সমর্থনের সময় সোহেল রানা নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আদালতের কাছে ক্ষমা চান।

তিনি বলেন, আমি নির্দোষ, আমাকে মাফ করে দিন। পাশাপাশি তিনি আরও কিছু ব্যক্তিকে ইঙ্গিত করে বলেন, “আমি অপরাধ করেছি, তাকেও ধরেন।
অপর আসামি স্বপ্না আক্তারও নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। পুরো শুনানিতে সোহেল রানাকে বিচারকের দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখা যায়। এ সময় তিনি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও হেলমেট পরিহিত ছিলেন।
আইনজীবী মুসা কালিমুল্লাহ জানান, এটি ৩৪২ ধারার আসামি পরীক্ষা পর্ব ছিল, যা রায় ও যুক্তিতর্কের আগে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তিনি বলেন, আজকের কার্যক্রম শেষ হয়েছে, আগামীকাল যুক্তিতর্ক উপস্থাপন হবে।
মামলাটি বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রায়ের তারিখ ঘোষণা করবেন।
আরটিভি/এসকে