images

আইন-বিচার

হেফাজতে জনির মৃত্যু: এক আসামির খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের আবেদন 

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬ , ১০:০৬ পিএম

ঢাকার পল্লবীতে প্রায় এক যুগ আগে পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় নির্যাতনে গাড়িচালক ইশতিয়াক হোসেনের (জনি) মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় এক আসামিকে খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেছে বাদীপক্ষ। এই আবেদনের শুনানির দিন নির্ধারণ হয়েছে আগামী ২৩ আগস্ট।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ দিন নির্ধারণ করেন। আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে এ শুনানি হবে।

এর আগে গত বছরের ১১ আগস্ট পুলিশ হেফাজতে এ মৃত্যুর ঘটনার মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ে পল্লবী থানার সাবেক এসআই জাহিদুর রহমানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রেখে এবং অন্য দুই আসামি এএসআই রাশেদুল হাসানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কমিয়ে ১০ বছরের সাজা এবং রাসেলকে খালাস দেয় হাইকোর্ট। 

এছাড়া মামলার আরেক আসামি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এএসআই কামরুজ্জামান আপিল না করে পলাতক থাকায় তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়। আর পুলিশের সোর্স আসামি সুমন সাত বছরের দণ্ড ভোগ করে কারামুক্ত হন। বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান ও বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চের দেওয়া এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে চেম্বার জজ আদালতে মামলাটির শুনানি হয়। সেখান থেকেই প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে গেল মামলাটি। 

মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি পল্লবীর এক বাসায় একটি গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে পুলিশের সোর্স সুমন নারীদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন। এ সময় সেখানে থাকা ইশতিয়াক হোসেন জনি ও তার ভাই ইমতিয়াজের সঙ্গে সুমনের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সুমনের ফোনে পুলিশ এসে জনি ও তার ভাইকে ধরে থানায় নিয়ে নির্যাতন করে। জনিকে পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। 

আরও পড়ুন
ttty

ধর্ষণ মামলায় ছাত্রশিবিরের সেই কেন্দ্রীয় নেতা কারাগারে

এ ঘটনায় ৭ আগস্ট জনির ভাই ইমতিয়াজ হোসেন রকি, তৎকালীন পল্লবী থানার এসআই জাহিদুর রহমানসহ আট জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। তবে মামলাটির বিচার বিভাগীয় তদন্তে পাঁচ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

আরটিভি/এসএস