রোববার, ২৭ জুলাই ২০২৫ , ০৫:০০ পিএম
দেহ ও মনের সুস্থতায় প্রতিদিন ৭-৯ ঘণ্টা ঘুম জরুরি। ঘুমের সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো রাত। নিয়মিত রাতে ঘুমিয়ে সকালে উঠে কাজ শুরু করা ভালো অভ্যাস।
তবে যদি কারও রাতের কাজ থাকে যেমন- অ্যাসাইনমেন্ট, পড়াশোনা, বা নাইট শিফট—তাহলে দিনের বেলায় ঘুমানো একপ্রকার বাধ্যতামূলক হয়ে পড়ে। একইভাবে, যারা জেট ল্যাগে ভোগেন বা ভিন্ন দেশের সময় অনুসরণ করে কাজ করেন, তাদের জন্যও দিনের বেলায় ঘুম প্রয়োজন হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে দিনের ঘুমকে ‘অতিরিক্ত ঘুম’ বলা যায় না।
ভোরে উঠে দিনভর কাজের চাপে শরীর ক্লান্ত হয়ে যেতে পারে। তখন মস্তিষ্কের মনঃসংযোগ হ্রাস পায়, কাজের গতি কমে আসে। এমন পরিস্থিতিতে দুপুরের দিকে ২০-৩০ মিনিটের একটি ‘ন্যাপ’ বা হালকা ঘুম বেশ উপকারী হতে পারে। তবে এই ঘুম যেন এলোমেলো সময় নয়, প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে হওয়া ভালো।
রাতে ঘুমের সমস্যা হলে দিনে ঘুম নিয়ে সতর্কতা
শারীরিক বা মানসিক কারণে রাতে ঘুমের সমস্যা থাকলে দিনের ঘুমে নির্ভরতা বাড়তে পারে, যা সমস্যা বাড়াতে পারে।
কী কী কারণে রাতে ঘুমের সমস্যা হয়?
দিনে বেশি ঘুম পেলে কী করবেন?
প্রকৃতির নিয়ম অনুযায়ী রাতেই ঘুমানোর উপযুক্ত সময়। দিনের ঘুম সেই স্বাভাবিক ছন্দ ও হরমোন ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। দীর্ঘ সময় রোদের সংস্পর্শে না গেলে হতে পারে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি।
কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে?
দিনে ঘুমানো একান্ত প্রয়োজন হলে, তা সীমিত ও নিয়মিত সময়ে হওয়া উচিত। কিন্তু এটি রাতের ঘুমের বিকল্প নয়। ঘুমের সমস্যা নিয়মিত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই উত্তম।