images

লাইফস্টাইল / ফ্যাশন

স্নিকারের ১০৭ বছরের ইতিহাস, খেলা থেকে ফ্যাশনের অঙ্গ

বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫ , ০৮:১৮ পিএম

বিশ্বে জুতার অনেক ধরনের মধ্যে স্নিকার্স আজ তরুণ প্রজন্মের সবচেয়ে জনপ্রিয় জুতা। খেলাধুলার জন্য তৈরি হলেও এখন স্নিকার্স ফ্যাশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে। সহজে পায়ে জড়ানো যায় এবং আরামদায়ক হওয়ায় এর ব্যবহার ব্যাপকভাবে বেড়েছে। 

স্নিকারের ইতিহাস প্রায় ১০৭ বছর পুরনো। ১৯১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কনভার্স কোম্পানি প্রথমবার ‘নন-স্কিড’ নামে স্নিকার তৈরি করে। এটি মূলত বাস্কেটবল খেলোয়াড়দের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল। ১৯২২ সালে নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘চক টেলর অল স্টার’, তখনকার জনপ্রিয় বাস্কেটবল খেলোয়াড় চক টেলরের নামে নামকরণ করা হয়।

১৯৫০ ও ৬০-এর দশকে স্নিকার্স যুক্তরাষ্ট্রের বাস্কেটবল দলগুলোতে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এরপর এটি শুধু খেলাধুলার নয়, ফ্যাশন জগতে গুরুত্বপূর্ণ স্থান পায়। বিশেষ করে লো কাট ধরনের স্নিকার তরুণদের মধ্যে বেশি জনপ্রিয়, কারণ এটি সহজে পায়ে গলানো যায়।

কনভার্স ছাড়াও নাইকি, অ্যাডিডাস ও রিবকসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ড স্নিকার্সে নতুন উদ্ভাবন নিয়ে আসছে। ক্যানভাস ও রাবারের সমন্বয়ে তৈরি এই জুতো আরামদায়ক, মজবুত ও স্টাইলিশ। শীতকালে লো কাটের বদলে বুট কাট বা গোড়ালি ঢাকা স্নিকার বেশি ব্যবহার হয়।

বর্তমানে স্নিকার্স শুধুমাত্র পুরুষদের জন্য নয়, মেয়েরাও এগুলো পছন্দ করে। লাল, সাদা-কালো ছাড়াও নানা রঙের ডিজাইনের স্নিকার পাওয়া যায়। ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য রয়েছে ক্যামোফ্লেজ ডিজাইন। স্নিকার্স ক্যাম্পাস, অফিস, ভ্রমণ সব জায়গাতেই পরার উপযোগী হয়ে উঠেছে।

দামের দিক থেকেও স্নিকার্স বৈচিত্র্যপূর্ণ। ব্র্যান্ড ও ডিজাইনের ওপর নির্ভর করে দাম থাকে ৮০০ থেকে ৫,০০০ টাকার মধ্যে। দেশের সব জেলা ও উপজেলায় স্নিকার্স পাওয়া যায় এবং অনলাইনে সহজে কেনা সম্ভব।

খেলাধুলার জন্য তৈরি এই জুতা আজ ফ্যাশনের অপরিহার্য অংশে পরিণত হয়েছে, যা আরাম ও স্টাইল দুটোকেই একসাথে বহন করছে।

আরটিভি/এসকে