বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ , ১১:১৬ এএম
বাজারে এখন ভেজালের ছড়াছড়ি। সবজি-ফল থেকে শুরু করে নানা খাদ্যপণ্যেই মিশছে ক্ষতিকর রাসায়নিক। এর মধ্যে কলাও বাদ নেই। সারাবছর পাওয়া এই ফলটি অনেক সময় প্রাকৃতিকভাবে না পাকা করে কৃত্রিম রাসায়নিক ব্যবহার করে পাকানো হয়। দেখতে ভালো লাগলেও এমন কলা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ধৈর্য কম থাকায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কাঁচা কলায় রাসায়নিক ব্যবহার করে দ্রুত পাকিয়ে ফেলে। এতে ফল দ্রুত হলুদ হলেও এর ভেতরের অংশ অনেক সময় কাঁচাই থেকে যায়।
তবে কিছু সহজ লক্ষণ দেখে বোঝা যায় কলা প্রাকৃতিকভাবে পাকা নাকি কৃত্রিমভাবে পাকানো।
দেখেই বোঝার চেষ্টা করুন
প্রাকৃতিকভাবে পাকা কলায় সাধারণত খোসায় হালকা দাগ বা অসম রং থাকে। কিন্তু কৃত্রিমভাবে পাকানো কলা অনেক সময় অতিরিক্ত উজ্জ্বল ও একরকম দেখতে হয়।
খোসার পুরুত্ব দেখুন
প্রাকৃতিকভাবে পাকা কলার খোসা তুলনামূলক পাতলা হয়। কিন্তু রাসায়নিক দিয়ে পাকানো কলার খোসা মোটা থাকে। ভেতরের অংশ অনেক সময় ঠিকমতো পাকে না।
গন্ধ পরীক্ষা করুন
গাছপাকা কলায় স্বাভাবিক মিষ্টি গন্ধ থাকে। কিন্তু কৃত্রিমভাবে পাকানো কলায় অনেক সময় সেই গন্ধ থাকে না। অস্বাভাবিক তীব্র গন্ধ পাওয়া যায়।
ডাঁটির অবস্থা দেখুন
পাকা কলার ডাঁটি সাধারণত নরম হয়। কিন্তু যদি কলা হলুদ দেখালেও ডাঁটি শক্ত থাকে, তাহলে সেটি কৃত্রিমভাবে পাকানো হতে পারে।
স্বাদেও থাকে পার্থক্য
প্রাকৃতিকভাবে পাকা কলা মিষ্টি ও নরম হয়। কিন্তু রাসায়নিক দিয়ে পাকানো কলা অনেক সময় স্বাদহীন বা বিস্বাদ লাগে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, কৃত্রিমভাবে পাকানো কলা নিয়মিত খেলে শরীরে স্নায়ুর সমস্যা, মাথাব্যথা ও হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই ফল কেনার সময় সতর্ক থাকা জরুরি।
সঠিকভাবে চেনা ও যাচাই করলেই ভেজাল কলা থেকে নিজেকে ও পরিবারকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।
আরটিভি/জেএমএ