বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ , ১২:৩৪ পিএম
বিশ্বজুড়ে ব্রেন টিউমার নিয়ে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০ সালে প্রায় ৩ লাখের বেশি মানুষ নতুন করে ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়েছেন। প্রতি বছর লাখে কয়েকজন করে এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন, আর ম্যালিগন্যান্ট ব্রেন টিউমারের ক্ষেত্রে বেঁচে থাকার হার ৩০ শতাংশেরও কম বলে জানা যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়মতো শনাক্ত করতে পারলেই চিকিৎসার সাফল্যের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।
ব্রেন টিউমার নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর ৮ জুন পালিত হয় বিশ্ব ব্রেন টিউমার দিবস। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই রোগের শুরুতে কিছু সাধারণ উপসর্গ দেখা দিলেও অনেকেই তা গুরুত্ব দেন না, যা পরবর্তীতে বড় ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
ব্রেন টিউমার কী?
ব্রেন টিউমার হলো মস্তিষ্ক বা তার আবরণে অস্বাভাবিক কোষের বৃদ্ধি, যা মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কাজকর্মে বাধা সৃষ্টি করে। এটি সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে—সাধারণ (বিনাইন) এবং ক্ষতিকর (ম্যালিগন্যান্ট)। সময়মতো চিকিৎসা না হলে এটি গুরুতর শারীরিক জটিলতা এমনকি প্রাণঘাতী পরিস্থিতিও তৈরি করতে পারে।
মাথাব্যথা কখন বিপদের ইঙ্গিত?
বিশেষজ্ঞদের মতে, সব মাথাব্যথাই বিপজ্জনক নয়। তবে কিছু ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া জরুরি। যেমন—
এ ধরনের পরিবর্তন দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
যে লক্ষণ বা উপসর্গগুলো অনেক সময় নজর এড়ায়
ব্রেন টিউমারের লক্ষণ অনেক সময় ধীরে ধীরে প্রকাশ পায়। এর মধ্যে থাকতে পারে—
অনেকেই এসব লক্ষণকে সাধারণ ক্লান্তি বা মানসিক চাপ ভেবে উপেক্ষা করেন, যা বিপজ্জনক হতে পারে।
কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?
যদি উপসর্গগুলো দীর্ঘদিন ধরে থাকে, ধীরে ধীরে বাড়ে বা একাধিক লক্ষণ একসঙ্গে দেখা দেয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। তবে সব উপসর্গই যে ব্রেন টিউমারের কারণে হয় তা নয়—অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এর পেছনে তুলনামূলক কম গুরুতর কারণ থাকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরের অস্বাভাবিক পরিবর্তনকে অবহেলা না করে সময়মতো পরীক্ষা করানোই সবচেয়ে নিরাপদ পথ। দ্রুত শনাক্তকরণই ব্রেন টিউমারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় সুরক্ষা হিসেবে কাজ করে।
আরটিভি/জেএমএ