images

লাইফস্টাইল / পরামর্শ

অপরিষ্কার সুইচবোর্ড হবে একেবারে নতুন, ঘরেই আছে সমাধান

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ , ০৩:৫৯ পিএম

ঘর যতই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুক, অনেক সময় সুইচবোর্ডের দিকে নজরই দেওয়া হয় না। ফলে ধুলো, ময়লা, আঙুলের ছাপ ও হলদেটে দাগ জমে সুইচবোর্ড পুরোনো ও অপরিষ্কার দেখাতে শুরু করে। তবে দামি পরিষ্কার করার উপকরণ ছাড়াই ঘরে থাকা কয়েকটি সাধারণ জিনিস ব্যবহার করে সহজেই সুইচবোর্ড ঝকঝকে করা সম্ভব।

দাঁত মাজার সাদা পেস্টেই মিলতে পারে সমাধান

সুইচবোর্ডে হালকা ময়লা বা হলুদ দাগ থাকলে সাধারণ দাঁত মাজার সাদা পেস্ট ব্যবহার করতে পারেন। একটি পুরোনো দাঁত মাজার ব্রাশে অল্প পেস্ট লাগিয়ে আলতোভাবে সুইচবোর্ড ঘষুন। বিশেষ করে কোণা ও ধারের অংশ ভালোভাবে পরিষ্কার করুন। এরপর শুকনো ও পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন। এতে সুইচবোর্ড অনেকটাই নতুনের মতো দেখাবে। তবে রঙিন বা জেল ধরনের পেস্টের বদলে সাধারণ সাদা পেস্ট ব্যবহার করাই ভালো। 

লেবু ও লবণের মিশ্রণও কার্যকর

ময়লা বেশি জমে থাকলে লেবু ও লবণের মিশ্রণ ব্যবহার করা যেতে পারে। লেবুর রস জমে থাকা ময়লা নরম করে এবং লবণ হালকা ঘষার কাজ করে। অর্ধেক কাটা একটি লেবুর ওপর সামান্য লবণ ছিটিয়ে সুইচবোর্ডে আলতোভাবে ঘষে পরে শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে নিন। এতে প্লাস্টিকের ক্ষতি ছাড়াই ময়লা দূর হতে পারে।

আরও পড়ুন
Web-Image

প্রতিদিনের কিছু অভ্যাসেই বাড়ছে স্ট্রোকের ঝুঁকি, আজই সতর্ক হোন

 

একগুঁয়ে দাগ তুলতে ব্যবহার করুন নেইল পলিশ তোলার রিমোভার 

সুইচবোর্ডে যদি কালি বা পুরোনো কালচে দাগ পড়ে, তাহলে অল্প পরিমাণ নেইল পলিশ তোলার রিমোভার তুলো বা নরম কাপড়ে নিয়ে শুধু দাগের জায়গায় আলতোভাবে মুছে নিতে পারেন। তবে এটি খুব কম পরিমাণে ব্যবহার করতে হবে। আগে সুইচবোর্ডের কম দেখা যায় এমন অংশে পরীক্ষা করে নেওয়াও ভালো। কারণ বেশি ব্যবহার করলে প্লাস্টিকের উজ্জ্বলতা নষ্ট হতে পারে।

পরিষ্কারের আগে নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন

সুইচবোর্ড পরিষ্কার করার আগে অবশ্যই বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দিন। সব সময় শুকনো হাতে ও শুকনো জায়গায় দাঁড়িয়ে পরিষ্কার করুন। ভেজা কাপড় বা অতিরিক্ত পানি ব্যবহার করবেন না। লেবুর রস বা নেইল পলিশ তোলার তরল ব্যবহার করলে সুইচবোর্ড পুরোপুরি শুকানোর পরই বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করুন।

এছাড়া কখনো ভেজা হাতে বা খালি পায়ে সুইচবোর্ড, প্লাগ কিংবা বৈদ্যুতিক তার স্পর্শ করবেন না। বৈদ্যুতিক যন্ত্র পরিষ্কারের সময় প্রয়োজনের বেশি তরল ব্যবহার না করাই সবচেয়ে নিরাপদ।


আরটিভি/জেএমএ